Unemployment: শহরাঞ্চলে বেকারত্ব গ্রামীণ অঞ্চলের তুলনায় বেশি, কতটা সমস্যার মুখে পড়তে চলেছে ভারত? অশনি সংকেত দিলেন অর্থনীতিবিদরা

Unemployment is rising in Indiaদেশের কর্মসংস্থানের পরিস্থিতিতে সামান্য হলেও উদ্বেগের ইঙ্গিত মিলল। সরকারি সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ১৫ বছর ও তার বেশি বয়সীদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৮ শতাংশে। আগের মাস নভেম্বরে এই হার ছিল ৪.৭ শতাংশ। পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে রিপোর্টে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। 

রিপোর্ট বলছে, সামগ্রিক হারে খুব বড় পরিবর্তন না হলেও শহরাঞ্চলে কর্মসংস্থানের চাপ কিছুটা বেড়েছে। গ্রামীণ এলাকার তুলনায় শহরের চাকরির বাজার এখনো পুরোপুরি স্বস্তিতে নেই। গ্রাম ও শহরের পরিসংখ্যানে পার্থক্য স্পষ্ট। গ্রামীণ অঞ্চলে বেকারত্বের হার প্রায় স্থির রয়েছে, যেখানে হার প্রায় ৩.৯ শতাংশ। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে বেকারত্ব বেড়ে হয়েছে ৬.৭ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল প্রায় ৬.৫ শতাংশ। 

অর্থাৎ চাকরি খুঁজতে গিয়ে শহরের মানুষদের তুলনামূলক বেশি সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। শহরের মহিলাদের ক্ষেত্রে অবশ্য সামান্য স্বস্তির ছবি দেখা যাচ্ছে। ডিসেম্বর মাসে শহুরে মহিলাদের বেকারত্ব কিছুটা কমে হয়েছে প্রায় ৯.১ শতাংশ, যেখানে নভেম্বরে তা ছিল প্রায় ৯.৩ শতাংশ। যদিও সামগ্রিকভাবে শহরের শ্রমবাজার এখনও চাপের মধ্যেই রয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, শ্রমবাজারে মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ছে। শ্রমিক অংশগ্রহণের হার ডিসেম্বরে বেড়ে হয়েছে প্রায় ৫৬.১ শতাংশ। 

এর অর্থ, আগের তুলনায় বেশি মানুষ কাজ খুঁজছেন বা কাজের বাজারে ঢুকছেন। পাশাপাশি কর্মী জনসংখ্যা অনুপাতও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি মানুষ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করায় শুরুতে বেকারত্বের হার সামান্য বাড়তে পারে। কারণ নতুন করে যারা কাজ খুঁজছেন, তাদের সবাই সঙ্গে সঙ্গে চাকরি পান না। ফলে কর্মসংস্থান তৈরি না হলে চাপ বাড়ে, বিশেষ করে শহুরে এলাকায়। সব মিলিয়ে বলা যায়, দেশের শ্রমবাজারে খুব বড় ধস না নামলেও শহরাঞ্চলে চাকরির সুযোগ বাড়ানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আগামী মাসগুলিতে শিল্প, পরিষেবা ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে নিয়োগ বাড়াতে না পারলে বেকারত্বের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।