বিশ্ব মহামারী করোনার কবলে ত্রাহি ত্রাহি রব পশ্চিমের একাধিত উন্নত দেশের।  গোটা দুনিয়ায় মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ১০ হাজারের গণ্ডি। আক্রান্ত পৌছে গেছে আড়াই লাখে।  ভারতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সরকার কী তথ্য গোপন করছে, আসল সংখ্যাটা কী এর চেয়ে অনেক বেশি!

আরও পড়ুন: করোনায় প্রতি ১০ মিনিটে মারা যাচ্ছেন ১ জন, ৫০ জনের শরীরে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এক ঘণ্টায়

অনেকেরি অভিযোগ এদেশে কাজের পরীক্ষার আওতায় আনা হবে সেই মাপকাঠি বেশ সঙ্কীর্ণ করে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত তিন ধরনের মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা সীমিত রেখেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, যাঁরা করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে এসেছেন, যাঁরা এইসব মানুষের সংস্পর্শে এসেছেন এবং কোয়ারেন্টাইনে থাকার দুসপ্তাহ পরেও উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। এরসঙ্গে অবশ্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু দেশবাসীর বিপুল সংখ্যক অংশই কোনও ধরনের পরীক্ষার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। আর এই নিয়েই আশঙ্কা করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তবে এদেশে এখনও কমিউনিটির মধ্যে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েনি বলেই শুক্রবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কের মাঝে মাস্ক পরে বিয়ের পিঁড়িতে বর-কনে, রিটার্ন গিফটে দিলেন স্যানিটাইজার

শুক্রবার সংসদে চলতি বাজেট অধিবেশনে লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে করোনার প্রতিষেধক নিয়ে প্রশ্ন আসে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে। তাতেই হর্ষ বর্ধন জানান দেশের কোনও প্রান্তে এখনও পর্যন্ত কমিউনিটিতে করোনা ছড়িয়ে পড়ার কোনও খবর নেই। পাশাপাশি দেশবাসীকে আস্বস্ত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ভারতে করোনার পরীক্ষা চলছে।

করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করতে এদেশের বিজ্ঞানীরা নিরন্তর কাজ করে চলেছেন বলে সংসদে দাবি করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অন্যান্য দেশের গবেষকদের সঙ্গও এবিষয়ে ভারতীয় বিজ্ঞানীরা যোগাযোগ রাখছেন।