বন্দে ভারত মিশনে বিদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে নিয়ে আসছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই মিশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ মে থেকে। অন্যদিকে আগামী ১৯ মে থেকে শুরু হচ্ছে অন্তর্দেশীয় বিমান চলাচলও। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির ইন্ডিয়া গান্ধী আন্তর্জাতির বিমানবন্দরে নামা যাত্রীদের নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছতে প্রয়োজন ট্যাক্সির। তার জন্য চালু করা হয়েছে পরিষেবা। তবে এই ট্যাক্সি পরিষেবা নিতে যাত্রীদের পকেটে ভালরকমই টান পড়ছে।

দিল্লি বিমানবন্দর থেকে নয়ডা, গাজিয়াবাদ সহ ২৫০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ট্যাক্সি পরিষেবার ব্যবস্থা করেছে উত্তরপ্রদেশ স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন। তার জন্য আপনাকে দিতে হবে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। দূরত্ব বাড়লে বাড়ান হবে ট্যাক্সির ভাড়াও।

৩০ জুন পর্যন্ত সমস্ত ট্রেন বাতিল করল ভারতীয় রেল, ছাড় কেবল শ্রমিক ও স্পেশালকে

বাড়ি ফেরার সাধ অপূর্ণই থেকে গেল ওঁদের, জোড়া দুর্ঘটনায় পরিযায়ীদের রক্তে ফের রাঙা এদেশের রাজপথ

মানব সভ্যতার অঙ্গাঙ্গী অংশ হতে চলেছে করোনা, এই ভাইরাস যাওয়ার নয়, সতর্ক করে দিল 'হু'

তবে এত টাকা দিয়ে ট্যাক্সিতে যাওয়ার সামর্থ্য না থাকলে বাসের ব্যবস্থাও রেখেছে ইউপিএসআরটিসি। বাতানুকূল নয়  এমন বাসে প্রতি আসনের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা। আর এসি বাসের জন্য তা বেড়ে হবে ১,৩২০ টাকা। বিমানবন্দর থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যেই কেবল মিলবে এই সুবিধা। দূরত্ব বাড়লে বেড়ে যাবে ভাড়ার পরিমাণও। প্রতিটি বাসে উঠতে পারবেন ২৬ জন যাত্রী। 

ইউপিএসআরটিসি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজ শেখরের  পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। নয়ডা ও গাজিয়াবাদের বহু বাসিন্দা লকডাউনের কারণে বিদেশে আটকে পড়েছিলেন। বন্দে ভারত মিশনে তাঁরা ধীরে ধীরে দেশে ফিরছেন। তাঁদেরই ঘরে ফেরাতে দিল্লি বিমানবন্দের এই বিশেষ বাস ও ট্যাক্সি পিরষেবার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। 

তবে বিমানবন্দরে থাকা এই ট্যাক্সগুলিতে চালক ছাড়া কেবল ২ জন যাত্রীর ওঠার অনুমতি মিলেছে। মিনিমাম ট্যাক্সি ভাড়া ২৫০ কিলোমিটারের জন্য রাখা হয়েছে  ১০ হাজার টাকা। তারপর কিলোমিটার প্রতি যাত্রীকে ভাড়া গুনতে হবে ৪০ টাকা। এসইউভির ক্ষেত্রে মিনিমাম ভাড়া ১২ হাজার টাকা। ২৫০ কিলোমিটারের বেশি রাস্তা হলে কিলোমিটার প্রতি দিতে হবে ৫০ টাকা।