- Home
- India News
- Urea Fertilizer: ইউরিয়া কিনতে জমির পর্চা জমা দিতে হবে কৃষকদের, নতুন নিয়ম চালু সরকারের
Urea Fertilizer: ইউরিয়া কিনতে জমির পর্চা জমা দিতে হবে কৃষকদের, নতুন নিয়ম চালু সরকারের
ধান চাষে কৃষকদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় ইউরিয়া সারের। তবে এ বার কৃষি দফতরের নতুন নিয়মে তাঁদের সমস্যাই বেড়েছে। এখন কৃষি সমন্বয়কারী বা কৃষি পরামর্শদাতার অনুমোদন পাওয়ার পরেই কৃষকরা ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন।

ধান চাষে কৃষকদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় ইউরিয়া সারের। তবে এ বার কৃষি দফতরের নতুন নিয়মে তাঁদের সমস্যাই বেড়েছে। এখন কৃষি সমন্বয়কারী বা কৃষি পরামর্শদাতার অনুমোদন পাওয়ার পরেই কৃষকরা ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন। এই ব্যবস্থার ফলে কৃষককে কৃষি দফতরের অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাছে বারবার যেতে হবে। কৃষি দফতরের দাবি, কৃষকরা আর ইচ্ছামতো ইউরিয়া কিনতে পারবেন না। জমির প্রয়োজন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ীই সার দেওয়া হবে। দফতরের মতে, এর ফলে ইউরিয়ার কালোবাজারি ও অপ্রয়োজনীয় মজুত রোধ করা সম্ভব হবে।

তবে কৃষকদের অভিযোগ, চাষের ব্যস্ত সময়ে অনুমোদন নেওয়ার এই প্রক্রিয়া যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ। ফলে ফসলেরও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও কৃষক যদি এক বস্তার বেশি ইউরিয়া নিতে চান, তাহলে তাঁকে নিজের কৃষিজমির নথিপত্র জমা দিতে হবে। সেই নথি যাচাই করে জমির পরিমাণ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কৃষক কতটা ইউরিয়া পাবেন, তা নির্ধারণ করবে কৃষি দফতর।
এই নিয়মে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বর্গাচাষি বা ঠিকা চাষ করা কৃষকরা। তাঁদের অধিকাংশের কাছেই জমির মালিকানার নথি থাকে না। ফলে জমির কাগজ বাধ্যতামূলক হলে প্রয়োজন অনুযায়ী ইউরিয়া পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলে তাঁদের আশঙ্কা। অনেক কৃষকের বক্তব্য, এর ফলে হয় বেশি দামে কালো বাজার থেকে সার কিনতে হবে, নয়তো চাষাবাদ চালিয়ে যাওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে।
বিহারের সরকারি আধিকারিকদের দাবি, কিছু মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ইউরিয়া কিনে মজুত করেন বা পরে তা বেশি দামে বিক্রি করেন। সেই প্রবণতা রুখতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি, জমির পরিমাণ এবং বৈজ্ঞানিক সুপারিশ অনুযায়ী ইউরিয়া সরবরাহ করা হলে মাটির উর্বরতাও বজায় থাকবে।
কৃষকদের বক্তব্য, কালোবাজারি রোধ করাই যদি লক্ষ্য হয়, তবে এমন ব্যবস্থা করা উচিত যাতে প্রকৃত কৃষকদের অযথা হয়রানির শিকার হতে না হয়। তাঁদের দাবি, অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হোক এবং বর্গাচাষিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হোক, যাতে ধান রোপণের মরসুমে সময়মতো ইউরিয়া সার পাওয়া যায়।