ভেনেজুয়েলার তেলে আমেরিকার ইউ-টার্ন, রিলায়েন্সের প্রবেশে ভারতের লাভ?
বিশ্বব্যাপী শক্তির পালাবদল: আমেরিকার বড় নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিতের পর ভারত ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল পেতে পারে। রিলায়েন্স আগ্রহ দেখিয়েছে। এই চুক্তি কি ভারতের জ্বালানির চাহিদা এবং বিশ্বব্যাপী তেলের বাজারের গতিপথ বদলে দেবে?

ভারত-ভেনেজুয়েলা তেল চুক্তি: ভারতের ক্রমবর্ধমান জ্বালানির চাহিদার মধ্যে একটি বড় খবর সামনে এসেছে। আমেরিকা ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা ভারতকে ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল কেনার অনুমতি দিতে পারে, তাও মার্কিন-নিয়ন্ত্রিত বিক্রয় ব্যবস্থার অধীনে। এরপরেই রিলায়েন্স আগ্রহ দেখিয়েছে।
আমেরিকা কেন তার অবস্থান বদলাল?
হোয়াইট হাউসের মতে, ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা, বিশ্ব বাজারে তেলের প্রয়োজন এবং ভেনেজুয়েলার তেল ভান্ডারের পুনঃব্যবহারের জন্য আমেরিকা তার কঠোর নীতি বদলের কথা ভাবছে। তবে, এই বিক্রি সম্পূর্ণভাবে আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
মার্কিন-নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় তেল বিক্রি হলে কার লাভ হবে?
মার্কিন জ্বালানি সচিবের মতে, এই ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে যাতে তেল থেকে প্রাপ্ত অর্থ দুর্নীতিতে না যায় এবং শেষ পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়। এই মডেলে, আমেরিকা নিজেই ঠিক করবে তেল কোথায়, কাকে এবং কীভাবে বিক্রি করা হবে।
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ কেন এত আগ্রহ দেখাচ্ছে?
জামনগরে রিলায়েন্সের শোধনাগার বিশ্বের অন্যতম সেরা। ভেনেজুয়েলার ভারী অপরিশোধিত তেল এই ধরনের জটিল শোধনাগারের জন্য উপযুক্ত। রিলায়েন্স জানিয়েছে, "অনুমতি পেলে আমরা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কেনার কথা ভাবব।"
ভারত কি সস্তা ও স্থিতিশীল তেল সরবরাহ পাবে?
নিষেধাজ্ঞার আগে ভারত ভেনেজুয়েলার তেলের বড় ক্রেতা ছিল। এই বাণিজ্য পুনরায় শুরু হলে ভারতের অপরিশোধিত তেলের উৎসে বৈচিত্র্য আসবে এবং ক্রমবর্ধমান জ্বালানির চাহিদা মেটানো সহজ হবে।
এর প্রভাব কি বিশ্বব্যাপী তেলের বাজারে পড়বে?
অবশ্যই। ভেনেজুয়েলার কাছে বিশ্বের বৃহত্তম তেল ভান্ডার রয়েছে এবং ভারত দ্রুত বর্ধনশীল শক্তি ভোক্তাদের মধ্যে অন্যতম। এই নতুন বাণিজ্য করিডোর বিশ্বব্যাপী তেলের দাম, সরবরাহ এবং ভূ-রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে।

