আবারও থমকে গেল উত্তরাখণ্ডের তপোবন টানেলের উদ্ধারকাজ। বরিবার হিমবাহ ভেঙে তুষার ধস আর বন্যার পর থেকেই তপোবন টানেলে প্রায় ৩০ আটকে পড়েছিলেন। তাদের উদ্ধারে নেমেছে ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনী, জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় বাহিনী। কিন্তু এদিন টানেল সংলগ্ন ঋষিগঙ্গার জলের স্তর বেড়ে যায়। আর সেই কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে উদ্ধারকাজে।  নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার টানেল খালি করতে বলা হয়েছে উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের। উত্তরাখণ্ড পুলিশের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, ঋষিগঙ্গা নদীতে ধীরে ধীরে জল বাড়ছে। আর সেই কারণে উদ্ধারকারী দলগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। শুধু উদ্ধারকারী দল নয়। নদী-তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়েছে। নিম্ন এলাকাগুলি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। 
 

উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জানিয়েছেন তাঁরা যখন ৬ মিটির দূরে ছিলেন তখনই তাঁরা বুঝতে পেরে ছিলেন যে নদীর জলস্তর বাড়ছে। কারণ সেই সময়ই টানেলের মধ্যে জল ঢুকতে শুরু করেছে। সুড়ঙ্গের মধ্যে অবিরত জল ঢুকতে শুরু করে। তাতে সমস্যায় পড়নে খননকারীরা। আপাতত ড্রিলিং-এর কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে এনটিপিটি। কারণ টানেলটি এনটিপিসির। তাদেরই কর্মীরা সেখানে আটকে রয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে। এদিন এনটিপিসি জানিয়েছে, মাটি খুঁড়েই তাদের উদ্ধার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু নদীর জল বাড়ায় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই এলাকা ছাড়া চামোলির বাকি অংশের পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনী বেশ কয়েক এলাকায় সেতু তৈরির ওপর জোর দিয়েছে। ত্রাণ ও রেশন সরবরাহ করা হচ্ছে বেশ কয়েকটি এলাকায়। 

প্যাংগং-এ পিছিয়ে যাচ্ছে চিন, ৩ নম্বর আঙুলে থাকবে ভারতীয় সেনা, রাজ্যসভায় বললেন রাজনাথ সিং ...

'ভোটের পর জয় শ্রীরামের জপ করবেন মমতা দিদি', কোচবিহারের জনসভায় বললেন অমিত শাহ ...
রয়টার্স জানিয়েছে, তপোবন টানেলে চার দিনে সেনা বাহিনীর জওয়ানরা ১০০ মিটারের বেশি  এলাকায় পরিচ্ছন্ন করেছে। কাদা পাথর সরাতে সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাদের। মূল টানেল থেকে ছোট ছোট সুড়ঙ্গ খুঁড়ে জল আর কাদা পাথর বার করে দিয়ে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। উত্তরাখণ্ডে প্রাকৃতিক বিপর্যের পর এখনও পর্যন্ত ৩৪ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে ২০৪ জন।