কেন্দ্রীয় সরকারের পর এবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদও পাকিস্তানের তীব্র সমালোচনা করে। বিশ্বের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গুরুদুয়াররা কার্তারপুর সাহিবের ম্যানেজমেন্টকে শিখ সংস্থার থেকে আদালা একটি ট্রাস্টে স্থানান্তরিত করে পাকিস্তান সরকার। বিশ্ব হিন্দু পরিষেদের বক্তব্য এই ঘটনা শিখ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতির বিরুদ্ধে যায়। পাকিস্তানের সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের এই ঘটনা মনে আঘাত পাবে। 

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কথায় পাকিস্তান শিখ গুরুদ্বারবান্ধব কনিটি বা পিএসজিপিসি থেকে এভ্যাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এর ফলে পরিচালনা থেকে রক্ষণাবেক্ষণ সমস্ত কিছুই চলে যাচ্ছে অন্য ট্রাস্টের হাতে। বলা হয়েছে পিএসজিপিসি গুরুদুয়ার পরিচানার অংশ হিসেবে বহাল থাকবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ইটিপিবির ৯ সদস্যদের মধ্যে একজনও শিখ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। ইটিপিবির অধীনে গঠিত প্রকল্প পরিচালন ইউনিট গুরুদুয়ারের হিসেব নিকেষও দেখবে। আর এর ফলেই গুরুদুয়ার পরিচালন কমিটির কোনও প্রাধান্য থাকবে না। কমিটির স্বায়ত্তশাসনও খুন্ন হবে। 

কোভ্যাক্সিনের আগেই আসছে কোভিশিল্ড, মহামারির বিশ্বে সুখবর দিলেন আদার পুনেওয়ালা ..

কথা রাখতে পারলে না তেজস্বী, বিহার ভোটের ফল প্রকাশের দিনেও মুক্তি নেই লালু যাদবের
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিদেশ মন্ত্রী। এবার এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানালেন তাঁরা। তাঁদের দাবি পাকিস্তানে অবস্থিত গুরুদুয়ারগুলি যাতে শিখ সম্প্রদায়ের হাতে থাকে তার দিকে নজর দেওয়া। ২০১৯ সালে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে কার্তারপুর চুক্তি হয়। পাকিস্তানে অবস্থিত এই গুরুদুয়ারে ভাতীয়দের শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের যাওয়া সহজ করতেই এই চুক্তি হয়। আন্তর্জাতিক সীমারেখা থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে দরবার সাহিব। অনেকে মনে করেন শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানক এখানেই জীবনের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছিলেন।