দুই প্রতিবেশীর পোষ্য বিড়াল গোপনে সম্পর্কে জড়ায়। চারটি ছানার জন্ম হলে তাদের দায়িত্ব কে নেবে, তা নিয়ে দুই মালিকের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয় যে, শেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে দুই পরিবারকে দুটি করে ছানা ভাগ করে দেওয়া হয়।

প্রতিবেশীর সঙ্গে তেমন সদভাব নেই। এদিকে দুজনেই আবার বিড়াল ভক্ত। দুই প্রতিবেশীই বিড়াল পোষেন। কিন্তু, সেই দুই বিড়াল যে সকলের চোখে ধুলো দিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছে তা কারও জানা নেই। মালিকের চোখ এড়িয়ে দিব্বি প্রেম করছে দুই বিড়াল। পরিণতি দুজনের সংসারের সদস্য বৃদ্ধি। মেয়ে বিড়ালটি অন্তঃসত্ত্বা হলে টনক নড়ে প্রতিবেশীর। পোষ্য চারটি বিড়াল জন্ম নিতেই পাড়ায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। একপ্রকার গৃহযুদ্ধ বেঁধে গেল। বিড়ালছানাগুলো দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তাদের পিতৃপরিচয়। আর তারপরই শুরু হল অশান্তি। বিড়াল ছানার দায়িত্ব কে নেবে এই নিয়ে বেঁধে গেল ঝগড়া। অশান্তি এমন পর্যায় পৌঁছায় যে ঘটনাস্থলে পৌঁছাল পুলিশ।

সদ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে, চারটি বিড়াল ছানা নিয়ে প্রতিবেশীর কাছে কন্যাকে নিয়ে হাজির হয়েছে এক মহিলা। দাবি, তিনি যে বিড়াল পোষেন, সে এই চার বাচ্চার জন্ম দিয়েছে। আর সেই বাচ্চাগুলোর বাবা নাকি সেই প্রতিবেশীর পোষ্য। সে কারণে এই চার বাচ্চাকে দিতে এসেছে সে। আর হবে নাই বা কেন, বাবার ছায়া ছাড়া বাচ্চা বড় হবে কি করে। যে বিড়াল বাচ্চাই হোক না কেন।

এরপরই বচসা বাঁধে দুই পরিবারের মধ্যে। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর। পুলিশ সূত্রে খবর, দুই প্রতিবেশী বিড়াল পোষেন। মেনি বিড়াস চার সন্তানের জন্ম দিয়েছে। এরপর বাড়ির মালিক জানতে পারে, ছানাগুলোর বাবা তার প্রতিবেশীর পোষ্য হুলো। এরপর সেই বাচ্চাগুলো নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে সে উপস্থিত হয়। ও জানিয়ে দেয়, ছানাগুলো রাখতে পারবে না সে। এরপর দুই পরিবারের বচসা বাঁধে। শেষে পুলিশ এই বিষয় মধ্যস্থতা করে।

এক প্রতিবেশী অভিযোগ করে, দায়িত্ব না নিলে বিড়ালগুলোর গায়ে অ্যাসিড ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপর প্রতিবেশী। শেষে পুলিশ দুটো করে বিড়াল ছানা দুই পরিবারের মধ্যে ভাগ করে দেয়।