অমিত শাহের গাড়ির নম্বরপ্লেট দেখে নেটিজেনদের মধ্যে গুঞ্জন লোকসভা নির্বাচনের মডেল কোড অব কন্ডাক্ট প্রয়োগের আগেই নাগরিকত্ব সংশোধনী প্রবিধান ঘোষণা হতে পারে। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গাড়ির নম্বর প্লেটের একটি ভিডিও। যা দেখে নেটিজেননা নাগরিক সংশোধনী আইনের কথাও মনে করেছেন। এদিন বিজেপির সদর দফতরে দলের বৈঠক রয়েছে। সেখানেই গাড়ি চড়ে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা। সেই গাড়ির নম্বর প্লেটই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। আমিত শাহের গাড়ির নম্বরের প্রথমেই ছিল ''DL1C AA****'।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অমিত শাহের গাড়ির নম্বরপ্লেট দেখে নেটিজেনদের মধ্যে গুঞ্জন লোকসভা নির্বাচনের মডেল কোড অব কন্ডাক্ট প্রয়োগের আগেই নাগরিকত্ব সংশোধনী প্রবিধান ঘোষণা হতে পারে। নেটিজেনরা মনে করছে অমিত শাহ গাড়ির নম্বরপ্লেটের মাধ্যমে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অর্থাৎ CAA কার্যকর করার প্রতিশ্রুতিতে সম্মতি জানিয়েছেন। কারণ এক নেটিজেন বলেছেন, 'বার্তাটি পরিষ্কার।' নম্বর প্লেটের ছবি শেয়ার করে বলেছেন, 'গাড়ির নম্বর প্লেটই সব বলে দেয়।' দেখুন - অমিত শাহের গাড়ির ভিডিওটি।

Scroll to load tweet…

এর কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল দেশের প্রধান বিচারপতির গাড়ির নম্বর। ভারতের প্রধান বিচারপতি, ধনঞ্জয় চন্দ্রচড়কে দিল্লিতে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল। সেখান থেকেই ভাইরাল হয়েছিল গাড়ির নম্বর।

লোকসভা ভোটের আগেই নাগরিকত্ব সংশোধন আইন বা সিএএ কার্যকর করা হবে। দিন কয়েক আগে এমনটাই বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০১৯ সালে এই আইন চালু করা হয়েছি। এদিন একটি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, 'আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। সিএএ -র বিরুদ্ধে প্ররোচিত করা হচ্ছে।' সিএএ শুধুমাত্র পাকিস্তান , আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে নিপীড়নের মুখোমুখি হয়ে ভারতে আসাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্যই এটি কার্যকর করা হবে। এই আইনের মাধ্যমে কোনও ভারতীয়র নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য চালু করা হবে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেছেন, যে বিজেপি ৩৭০ টিরও বেশি আসন পাবে। এনডিএ আসন্ন নির্বাচনে ৪০০ টিরও বেশি আসন পাবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টানা তিন বার প্রধানমন্ত্রী বলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। অমিত শাহ এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এবার কোনও সাসপেন্সই নেই। কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলি বুধতে পেরেছে যে তাদের আবার বিরোধী বেঞ্চে বসতে হবে।