শুক্রবার ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৭৭। আক্রান্ত ২০ শতাংশের বেশি মানুষ ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল আরও জানিয়েছেন, গত  ২৮ দিনে দেশের ১৫টি জেলাতে নতুন করে কোনও মানুষে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি। আর গত ১৪ দিন ৮০ টি জেলা করোনাভাইরাসে আক্রান্তের কোনও খবর দেয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথামিক ধাক্কা দেশ কাটিয়ে উঠেছে। 

শুক্রবারই সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। তিনি বলেন, গোষ্ঠী সংক্রমণের আগেই লাগাম পরানো গেছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে। দেশে করোনার সংক্রমণ তৃতীয় স্তরে পৌঁছায়নি বলেও দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, বিশ্বের অনেক দেশের থেকেই ভারতের অবস্থা অনেক সন্তোষজনক। 

এদিন নমুনা পরীক্ষা নিয়েও মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। তিনি বলেছেন, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার পরেও আক্রান্তের সংখ্যা তেমন বাড়তে দেখা যায়নি।  আক্রান্তের সংখ্যা ৪ শতাংশের বেশি বাড়েনি। ক্লাস্টার আর হটস্পট সম্পর্কে সমস্ত তথ্যই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন সংক্রমণ গোষ্ঠী পর্যায়ে উন্নিত হলে চিন্তার বিষয় থাকত। হর্ষ বর্ধনের মতে মার্চে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা তিন ছাড়াই দ্বিগুণ হয় সেখানে এখন আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে সময় লাগছে ৯ দিন। তাঁর কথায় প্রাথমিক সংকট কাটিয়ে ওঠা গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন লকডাউনের কারণে এটা সম্ভাব হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ সাফল্য দেখেও থামতে নারাজ কেরল, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে আরও বড় লড়াইয়ের প্রস্তুতি ...

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় দ্রুত পরীক্ষায় দেরি কেন, সামনে আসছে কোন কোন তথ্য ...

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় কেরলের পথে এবার দিল্লি, কতটা সাফল্য আসতে পারে প্লাজমা থেরাপিতে ...