শনিবার রাতে আবারও চিনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে নজর দিয়েছিল। আর সেই কারণেই আবারও ফিরে আসছিল জুন মাসের গালওয়ান সংঘর্ষের ভয়ঙ্কর স্মৃতি। কিন্তু ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যরা বিশেষ তৎপরতার সঙ্গেই চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মির সদস্যদের প্রচেষ্টা প্রতিহত করে। 

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কী হয়েছিল সপ্তাহ শেষের লাদাখে? যা নিয়ে এখনও পর্যন্ত সেই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেয়নি কোনও দেশই। সেনা সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, 

লাল ফৌজের রাতের প্ররোচনা 
 ২৯ অগাস্ট, রাত ১১টা, চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মির প্রায় ২০০ সদস্য জড়ো হয়েছিল
এসইউভি করেই চিনা সেনা ভারতের একটি চেক পোস্টের দিকে এগিয়ে আসে 
আর সেখানে দাঁড়িয়েই ভারতীয় বাহিনীর দিকে চ্যালেঞ্চ ছুঁড়ে দেয় 
ভারতীয় সেনা আগে থেকেই মোতায়েন ছিল
এই এলাকায় যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আগে থেকেই তৈরি রাখা হয়েছিল জওয়ানদের 
চিনের কনভয়টি ভারতের পোস্টের দিকে এলে ভারতীয় জাওয়ানরা রুখে দাঁড়ায়
মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য দুই পক্ষের সেনা জওয়ানরা চোখে চোখ রেখে অবস্থান করে 
কিছুক্ষণ পরেই চিনা সেনারা নিজেদের অবস্থানে ফিরে যায় 

সেনা সূত্রে খবর এই ঘটনায় ভারতীয় ও চিনা সেনাদের কোনও জওয়ানই হতাহত হয়নি।  তবে সোমবারই ভারতীয় সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে জারি করা বিবৃতির পর চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন জানিয়িছিলেন, চিনা সেনা সর্বদা  প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমারেখা মেনে চলে। সীমান্ত অতিক্রম করে না। পাশাাপাশি তিনি জানিয়েছিলেন দুই দেশের সেনাবাহিনী সামরিক ও কূটনৈতিক বিষয়ে ঘনিষ্টভাবে যোগাযোগ রাখছে। 

এদিন ভারতের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে শনি ও রবিবার রাতে চিনা সেনা উস্কানিমূলক আচরণ করেছিল। দুটি দেশই পূর্ব লাদাখ সীমান্ত নিয়ে আলোচনা করছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমারেখা থেকে সেনাবাহিনী সরানো নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। গোগরা, প্যাংগংসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় নিয়ে এখনও কোনও সমাধান সূত্র পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে প্যাংগংএ রীতিমত সেনা শিবির করে ফিঙ্গার ৪ আর ফিঙ্গার ৫ এ অবস্থান করছে চিনা সেনা। যা নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে ভারত।