Woman Climbs Water Tank ঠিক যেন শোলের বীরু। তবে এটা সিনেমা নয় বাস্তব। আর কোনও পুরুষ নন, ইনি মহিলা। UP-র বাঘপাতে পারিবারিক অশান্তিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পরিবারের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে গ্রামের একটি উঁচু জলের ট্যাঙ্কে উঠে পড়েন ২৫ বছরের এক তরুণী।

Woman Climbs Water Tank: ঠিক যেন শোলের বীরু। তবে এটা সিনেমা নয় বাস্তব। আর কোনও পুরুষ নন, ইনি মহিলা। উত্তর প্রদেশের বাঘপাত জেলায় পারিবারিক অশান্তিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পরিবারের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে গ্রামের একটি উঁচু জলের ট্যাঙ্কে উঠে পড়েন ২৫ বছরের এক তরুণী। পরে ট্যাঙ্কের ভিতরের অংশে গিয়ে বসে পড়েন তিনি। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পরিবারের সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে তরুণীর বচসা হয়েছিল। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি এতটা ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, পারিবারিক চাপ, বিয়ে বা গৃহস্থালির কোনও সমস্যা থেকেই এই পরিস্থিতির সূত্রপাত। ঘটনার পর আচমকাই গ্রামের ওভারহেড জলের ট্যাঙ্কে উঠে যান ওই তরুণী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ঠিক কী ঘটনা ঘটে

এক স্থানীয় বাসিন্দা প্রথম তাঁকে ট্যাঙ্কের উপরে দেখতে পান। এরপরই পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পরিবারের লোকজন। তাঁরা অনেক বুঝিয়েও তরুণীকে নামাতে পারেননি। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময় ধরে উদ্ধারকাজ চালায়। তরুণীর মানসিক অবস্থা অত্যন্ত উত্তেজিত থাকায় তাড়াহুড়ো করে কোনও পদক্ষেপ নিতে চাননি আধিকারিকরা। তাঁকে শান্ত করতে বারবার বোঝানো হয়। নিরাপত্তার বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়, কারণ ট্যাঙ্কের উচ্চতা যথেষ্ট ছিল।

শেষে কী হয়

কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর অবশেষে তরুণীকে নিরাপদে নিচে নামানো সম্ভব হয়। ঘটনায় তিনি আহত হননি বলেই জানা গিয়েছে। উদ্ধারকাজে পুলিশ ছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মীরা সাহায্য করেন। উত্তরপ্রদেশে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় বলেই জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। অতীতেও পারিবারিক অশান্তি বা বিয়ের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়ে বহু তরুণী বা যুবক জলট্যাঙ্কে উঠে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে বলিউডের জনপ্রিয় ছবি শোলে-এর বিখ্যাত দৃশ্যের তুলনাও টানছেন।

পুলিশ কী বলল

পুলিশ জানিয়েছে, আপাতত কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। পুরো বিষয়টিকে পারিবারিক সমস্যা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তরুণী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। প্রশাসনের বক্তব্য, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য পরিবারগুলির মধ্যে যোগাযোগ ও মানসিক সহায়তার উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।