'পেয়িং গেস্ট' (PG) হিসেবে থাকা এক যুবতীকে আবাসনের ছাদে ধর্ষণের অভিযোগ সিকিউরিটি গার্ডের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের আমেদাবাদে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার, ৮ আগস্ট আনন্দনগর এলাকার একটি পিজি-তে।

'পেয়িং গেস্ট' (PG) হিসেবে থাকা এক যুবতীকে আবাসনের ছাদে ধর্ষণের অভিযোগ সিকিউরিটি গার্ডের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের আমেদাবাদে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার, ৮ আগস্ট আনন্দনগর এলাকার একটি পিজি-তে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনিংয়ের ছাত্রী ওই তরুণী রাত ১০টার দিকে ছাদে হাঁটতে গিয়েছিলেন, যেখানে সেই সময় নিরাপত্তা রক্ষীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই তরুণী যখন নিরাপত্তা রক্ষীকে দেখে ছাদ থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন রক্ষীটি তাঁর গলায় তার পেঁচিয়ে ধরে এবং তাঁকে ধর্ষণ করে। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীকে কাবু করতে তাঁর গলায় শক্ত করে তার পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন ওই যুবক এবং তাঁকে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ওই তরুণীর উপর নির্যাতন চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ওই তরুণী কোনওমতে ছাদ থেকে নেমে অন্য বাসিন্দাদের বিষয়টি জানান, যাঁরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ধর্ম সিং, যিনি ওই পিজি-র নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যাপক তল্লাশি অভিযানের পর রবিবার সকালে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার পর আনন্দনগর পুলিশ, লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চ অভিযুক্তকে খুঁজে বের করার জন্য ১০টি দল গঠন করে। পুলিশ সকালে তাঁকে গ্রেফতার করার আগে পর্যন্ত ওই দলগুলো সারা রাত ধরে তল্লাশি চালায়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ করেছে, যাতে অভিযুক্তকে লিফট ব্যবহার করে বিভিন্ন তলা ও ছাদের মধ্যে যাতায়াত করতে দেখা যাচ্ছে। তদন্তের অংশ হিসেবে যে প্রমাণাদি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, এই ফুটেজ তার একটি অংশ।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে যে, ধর্ম সিং উত্তরপ্রদেশের হারদোই জেলার বাসিন্দা। ধর্ষণের ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগেই তিনি ওই পিজি-তে নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রাপ্ত প্রমাণাদি খতিয়ে দেখছে। পিজি আবাসনে কর্মী নিয়োগের সময় যথাযথ যাচাই-বাছাই না হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বর্তমানে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যুবককে নিয়োগের আগে যথাযথ পুলিশ ভেরিফিকেশন বা অতীত ইতিহাস যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে তদন্তকারীরা পিজি আবাসনের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছে।