Vande Mataram Congress: এই প্রসঙ্গে, কংগ্রেস জানিয়েছে, ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল সহ একাধিক শীর্ষস্তরের নেতা বন্দেমাতরম গানের প্রথম দুটি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার আগে এই বিষয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতামতও নেওয়া হয়েছিল।
Vande Mataram Congress: বন্দেমাতরম গাওয়া নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কংগ্রেস। বুধবার, দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দলীয় কর্মসূচি এবং কোনও অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম দুটি স্তবকই শুধুমাত্র গাওয়া হবে (Vande Mataram Congress)। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্তের কারণও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তবে বিজেপি আবার এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কংগ্রেসের দেশপ্রেম এবং দেশের প্রতি আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে (Vande Mataram political controversy)।
গান্ধী-রবীন্দ্রনাথের সিদ্ধান্তকেই মান্যতা
কংগ্রেস নেতা আনিসুর ও তার ছেলের মর্মান্তিক ঘটনায় পথে সরব Adhir Ranjan Chowdhury
এই প্রসঙ্গে, কংগ্রেস জানিয়েছে, ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল সহ একাধিক শীর্ষস্তরের নেতা বন্দেমাতরম গানের প্রথম দুটি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার আগে এই বিষয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতামতও নেওয়া হয়েছিল। এরপর ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি, সংবিধান পরিষদের শেষ বৈঠকে বন্দেমাতরম-কে জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা দেওয়া হয় এবং জনগণমন গানের সঙ্গে সমান সম্মান দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। এবার সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই দলের সমস্ত কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানে বন্দেমাতরম গানের প্রথম দুটি স্তবক গাওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ।
Parliament Deadlock: মোদী-শাহ সংসদে আসছেন না কেন? অচলাবস্থা নিয়ে তোপ দাগল কংগ্রেস
ওয়ার্কিং কমিটি ঠিক করল, বন্দেমাতরমের প্রথম দুটি স্তবকই গাইবে কংগ্রেস
এই বিষয়ে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কেসি বেণুগোপাল জানিয়েছেন, “দেশের জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন এবং জাতীয় গান বন্দেমাতরম্ কংগ্রেসের কাছে এক আবেগের বিষয়। আসলে বিজেপি এটা নিয়ে রাজনীতি করছে।” তবে পাল্টা বিজেপি আবার কংগ্রেসকে নিশানা করেছে। বুধবার, দলের সর্বভারতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী জানান, “কংগ্রেস দাবি করে যে, স্বাধীনতা সংগ্রামে একমাত্র তাদেরই ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের জেরে তাদের সেই দাবি পুরোপুরি নস্যাৎ হয়ে যায়। কংগ্রেস মনে করে, তারা দেশের সংবিধান এবং সংসদেরও ঊর্ধ্বে।” যদিও পাল্টা অনেক কংগ্রেস নেতাই দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আরএসএস-এর ভূমিকা নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


