বায়ু দূষণের পর এবার রাজধানী দিল্লিতে জল দূষণের কালো ছায়া। চিন্তায় ফেলে দিয়েছে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের। সদ্য প্রকাশিত একটি রিপোর্টে দিল্লির ওপর দিয়ে বয়ে চলা যমুনা নদীর জল নিয়ে রীতিমত আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে রাজধানী সংলগ্ন যমুনা নদীর জল এতটাই খারাপ যে তা ব্যবহারের অযোগ্য।  তবে রীতিমত গুরুত্ব দিয়ে যমুনার জল পরিষ্কার করা হবে বলেই আশ্বাস দিয়েছেন দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী। 

আরও পড়ুনঃ বন্ধুকে দেওয়া কথা রাখতে পেরে স্বস্তিতে মোদী, মোতেরার ভিড় দেখে মুগ্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট

আরও পড়ুনঃ ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বের মঞ্চে পাকিস্তানের প্রশংসা, মোদী-কে অস্বস্তিতে ফেললেন ট্রাম্প

 

বায়ু দুষণ নিয়ে রীতিমত নাজেহাল দিল্লিবাসী। এবার সেই চিন্তা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্যদের রিপোর্ট। কারণ সদ্য প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে খুব খারাপ, ব্যবহারের অযোগ্য যমুনার জল। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছিল দিল্লির দুষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড। যমুনা নদী সংলগ্ন ১৪টি এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে দুটি এলাকা বাদে বাকি সবকটি এলাকা থেকে সংগ্রহ করা জলে মাত্রাতিরিক্ত দূষণ। তবে বায়ুর মতই যমুনার জল দূষণেও মুখ্য ভূমিকা নিয়েছে হরিয়ানা। কারণ গ্রিন ট্রাইবুন্যালের কাছে পাঠানো রিপোর্টে বলা হয়েছে যমুনার জল পরিষ্কারের জন্য দিল্লির পাশাপাশি হরিয়ানা থেকে নদীতে পড়া নিকাশীর জল ও শিল্পের বর্জ্য বার করার প্রয়োজন রয়েছে। তবে দিল্লিতে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয় তা তোলা হয় ওয়াজিরাবাদ ব্যারেজের আগে থেকে। সেখানে অবস্য দূষণের করাল ছায়া ততটা নেই। 

আরও পড়ুনঃ চা-ওয়ালা থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী, 'বন্ধু' মোদীর জন্য গর্বিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

তবে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের এই পর্যবেক্ষণের পর আসরে নেমেছে আপ। যমুনার জল পরিস্কার করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে নির্মূল করা হবে দুষণ। এমনই মন্তব্য করেছেন দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাই। তিনি আরও বলেছেন পরিবেশ রক্ষার জন্য সর্বদা সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করতে পিছপা হয়নি দিল্লির আপ সরকার। তাই আগামী পাঁচ বছর যমুনা নদীর জল পরিষ্কারের কাজেই দিল্লি সরকার প্রাথমিকভাবে মনোনিবেশ করবে।