মহামারি ক্লান্ত বিশ্বে এবার রীতিমত লড়াই শুরু করে দিয়েছে প্রতিষেধকগুলি। সোমবারাই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার তৈরি প্রতিষেধক করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৭০ শতাংশ কার্যকারী বলে ঘোষণা করেছিল সংশ্লিষ্ট সংস্থা। আর মঙ্গলবারই করোনভাইরাসে আক্রান্ত বিশ্বকে সুখবর দিল রাশিয়া। পুতিনের দেশের তৈরি প্রতিষেধক করোনার জীবাণুরে ঘায়েল করতে  ৯৫ শতাংশের বেশি কার্যকরী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। রাশিয়া জানিয়েছে, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের দ্বিতীয় অন্তবর্তী বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে প্রথম ডোসের ৪২ দিন পর প্রতিষেধকটি ৯৫ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাতে পেরেছে। 

রাশিয়ার আরডিআইএফএর প্রধান কিরিল দিমিত্রিভ বলেছেন তাঁরা ৩৯ জন করোনা রোগী ও ১৮ হাজার ৭৯৪ জন রোগীর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ডেটা সমীক্ষা করা হচ্ছিল। আর সেই ডেটার তথ্য অনুযায়ী স্পুটিনিক ভি ২৪ দিন পরে ৯১.৪ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাতে পেরেছে। কিন্তু ৪২ দিনের মাথায় দেখা গেছে প্রতিষেধকটি ৯৫ শতাংশেরও বেশি কার্যকারী।

প্রবল কান্না বাঁচিয়ে দিল পরিত্যক্ত কন্যা সন্তানকে, বাবা মায়ের নির্মমতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন ...  

কোল্ড চেন তৈরি করে রাখতে বললেন রাজ্যগুলিকে, করোনা প্রতিষেধক বিলি পাখির চোখ প্রধানমন্ত্রীর ...

রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে করোনাভাইরাস রুখতে স্পুটনিক ভি প্রথম ক্লিনিক্যালি অনুমোদিত প্রতিষেধক। এটি রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় গামালিয়া  গবেষণা ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে। গামালিয়ার কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞরা এই প্রতিষেধকটি নানা ভাবে পরীক্ষা করে দেখেছেন। তাই সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে এই ফলাফল দেখে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন খুব তাড়াতাড়ি করোনীর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য হাতিয়ার পাওয়া যাবে। তবে এই প্রতিষেধকটি নিয়ে কিছুটা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। উপযুক্ত পরীক্ষা আর সমীক্ষা না করেই প্রতিষেধকটি দ্রুতার সঙ্গে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও প্রতিষেধকটির গুণগত মান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। যদিও সেসব উড়িয়ে দিয়ে প্রতিষেধ নিয়ে নিজেদের দাবিতে অনড় থেকেছিল ভ্লাদিমির পুতিনের সহযোদ্ধারা।