সাবধান! প্রবল গতিতে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু, অভিমুখ পরিবর্তন করলেই ধ্বংস হবে সৃষ্টি

| Oct 02 2022, 04:49 PM IST

সাবধান! প্রবল গতিতে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু, অভিমুখ পরিবর্তন  করলেই ধ্বংস হবে সৃষ্টি

সংক্ষিপ্ত

প্রবল গতিতে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিপজ্জনক গ্রহাণু। যা নিয়ে সতর্ক করল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সংস্থার বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের কথায যে গ্রহাণুটি বিশ্বের দিকে ধেয়ে আসছে সেটি বিশ্ববাসীর কাছে একটি হমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন বিশাল আকাশের গ্রহাণুটি প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে

প্রবল গতিতে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিপজ্জনক গ্রহাণু। যা নিয়ে সতর্ক করল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সংস্থার বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের কথায যে গ্রহাণুটি বিশ্বের দিকে ধেয়ে আসছে সেটি বিশ্ববাসীর কাছে একটি হমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন বিশাল আকাশের গ্রহাণুটি প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে। এটি আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর ওপর। আর যদি তাই হয় তাহলে সবকিছু তছনছ হয়ে যেতে পারে। 

যে গ্রহাণুটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সেটির নাম 2018 ERI। নাসার ওয়াচ ড্যাসবোর্ড নিশ্চিত করেছে 2018 ERIর গ্রহাণুটি ৮৪ ফুট ব্যাসের একটি গ্রহাণু। এটির গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৪৯৫ কিলোমিটার। এটি পৃথিবীর মাত্র ৩.৫১ মিলিয়ন মাইল দূর দিয়ে যাবে। যদি সামান্য নড়চড় হয় তাহলে এটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে। তাহলে সৃষ্টি ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। 

Subscribe to get breaking news alerts

নাসা সম্প্রতি বিপজ্জনক গ্রহাণু বা মহাকাশের বিপজ্জনক বস্তুর তালিকা তৈরি করছে। আর সেগুলির হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে নানা রকম পরীক্ষানিরীক্ষা করছে। সম্ভাব্য বিপজ্জনক বস্তুর একটি তালিতা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে বস্তুগুলি পৃথিবীর মাত্র ৪.৬ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে দিয়ে যাবে সেগুলির বিপজ্জনক। আর সেগুলির ব্যাস হতে গহবে ১৫০ মিটারের বেশি। আর সেই সজ্ঞায় 2018 ERIকে বিপজ্জনক বস্তু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ এটির সঙ্গে এখনও পর্যন্ত বিশ্বের দূরত্ব ৩৫ লক্ষ মাইল। কিন্তু এটি যে কোনও সময়ই অভিমুক বদল করতে পারে। আর সেই কারণেই এটিকে বিপজ্জনক বস্তুর তালিকায় ফেলা হয়েছে। 

বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নাসা সর্বদাই মহাকাশের দিকে নজর রাখে। সংস্থার মূল লক্ষ্যবস্তু হল পৃথিবীর দিকে কোনও বস্তু ধেয়ে আসচছে কিনা তা খতিয়ে দেখায কোনও বস্তু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসলে তার আকার আয়তন, আর কী দিয়ে সেই বস্তুটি তৈরি হয়েছে তা পরীক্ষা করতে শুরু করে দেয় নাসা। 
 

Read more Articles on