সদ্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সেই দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান 'অর্ডার অব জায়েদ'-এ ভুষিত করেছে। এই নিয়ে গত পাঁচ বছরে প্রধানমন্ত্রী মুসলিম বিশঅবের ছয়টি দেশ থেকে সম্মানিত হলেন। আর এই ঘটনা পরোক্ষে পাকিস্তানের গালে সপাটে চড় এমনটাই মনে করছে তার সরকার। সরকারি মহলের মতে এই পুরস্কার ও সম্মানগুলিই প্রমাণ করছে ভারতের সঙ্গে ইসলামি বিশ্বের সম্পর্ক এখন কতটা ভাল।

এখনও পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদী বাহরিন থেকে পেয়েছেন 'কিং হামাদ অর্ডার অব রেনেশাঁ', সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে 'অর্ডার অব জায়েদ', প্যালেস্টাইন থেকে 'গ্র্যান্ড কলার অব স্টেট অব প্যালেস্টাইন', আফগানিস্তান থেকে পেয়েছেন 'আমির আমানুল্লা খান' পুরস্কার, সৌদি আরবে 'কিং আবদুল্লাজিজ সাশ পুরস্কার' এবং মালদ্বীপে 'রুল অব নিশান ইজ্জুদ্দিনন'।

আর এই পুরস্কার ও সম্মান পাকিস্তানের গালে সপাটে থাপ্পর বলে মনে করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারা জানাচ্ছেন, মুসলিম বিশ্বে পাকিস্তান ভারতকে একঘরে করতে চেয়েছিল। সেই কারণেই ভারতের ওআইসির পর্বেক্ষক হওয়ারও বিরোধিতা করেছিল তারা কিন্তু তাতে যে কাজ হয়নি তার প্রমাণ এই পুরস্কার ও সম্মানই। মুসলিম বিশ্বের দেশগুলির সঙ্গে এর আগে কখনও ভারতের এরকম ভাল সম্পর্ক ছিল না বলে দাবি করছেন তাঁরা।

আর এর জন্য সব কৃতিত্ব 'মোদী ম্য়াজিক'-কেই দিচ্ছেন তাঁরা। সরকারি আধিকারিকদের বক্তব্য নরেন্দ্র মোদী ব্যক্তিগত সম্পর্কের বন্ধনে কূটনৈতিক সম্পর্ককে দৃঢ় করেছেন। একই সঙ্গে হজের কোটা বৃদ্ধি করা, ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটকে থাকা পশ্চিম-এশিয়ার বহু বন্দিকে তাদের নিদজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর মতো একাধিক পদক্ষেপে মুসলিম বিশ্বের আস্থা জয় করেছেন মোদী। আর তারই ফলে ভারতকে একঘরে করতে গিয়ে এখন পাকিস্তানেরই কোনঠাসা অবস্থা। সরকারের একটি সূত্র দাবি করেছে, পাকিস্তান এখন বুধঝতে পারছে, নতুন ভারত আর হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। তারা সন্ত্রাসবাদে মদতদাতাদের একঘরে করতে গোটা বিশ্বের সঙ্গে হাত মোলানোর চেষ্টা করে যাবে।