এদেশে শুরু হয়েছে তৃতীয় দফার লকডাউন। তার পরও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ। যার ফলে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। ভারতের মত করোনা সংক্রমণের শিকার বাংলাদেশও। ধীর ধীরে প্রতিবেশী দেশটিতেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সোমবার বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তার ফলে ভারতের মত বাংলাদেশেও লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হয়েছে।

গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশ সরকার করোনা মোকাবিলা করতে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছিল। পরবর্তীতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু আক্রান্তের সঙ্গে মৃত্যুহার বাড়লে ৫ মে পর্যন্ত গোটা দেশ শাটডাউন করে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। এবার সেই লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে ১৬ মে পর্যন্ত করা হল। 

করোনার দাপটে বিধ্বস্ত ভারতীয় অর্থনীতি, রঘুরাম রাজনের পর অভিজিতের কাছে দাওয়াই চাইলেন রাহুল

রেকর্ড গড়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার ৩৯০০, আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ হাজারের বেশি

বোতলের জন্য লম্বা লাইন, সুযোগ বুঝে ৭০ শতাংশ দাম বাড়িয়ে দিল সরকার

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৬৮৮ জন। যার ফলে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০,১৪৩। দেশটিতে করোনা প্রাণ কেড়েছে এখনও পর্যন্ত ১৮২ জনের। তবে এসবের মধ্যেই ভাল খবর, করোনা সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১,২০৯ জন। 

গোটা দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও শেখ হাসিনার সরকার বেশকিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ করে রেডিমেড পোশাক, ওষুধ ও রফাতিন বিষয়ক শিল্পগুলিসামাজিক দূরত্বের বিধি মানলে সেখানে কাজ করার মঞ্জুরি মিলবে বলে সরকারি গাইডলাইনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে সামনেই ইদ। অবন্য সময় বাংলাদেশে এই সময় থাকে উৎসবের মেজাজ। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা। তবে করোনার জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হলেও ইদের কারণে দোকানপাট ও মলগুলি বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। যদিও সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনেই এই দোকান খুলতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তবে এবার উৎসবের মরশুমে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়ার বিষয়ে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে সরকার।