বিশ্বের করোনা পরিস্থিত ক্রমেই জটিল হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ ছাড়়িয়ে গিয়েছে। আর এই আক্রান্তদের এক তৃতীয়ংশই মার্কিন নাগরিক। বিশ্বে করোনা মহামারীর জন্য লাগাতার চিনের দিকে তোপ দেগে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফের একবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই মারণ ভাইরাসের উৎপত্তি চিনের উহান শহরের ভাইরোলজির ল্যাবেই। হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি গোয়েন্দা রিপোর্ট দেখেছেন যা ইঙ্গিত করছে কোভিড-১৯ এর উৎপত্তি চিনের উহানের এক ল্যাবরেটরিতেই। 

‘চিনা ভাইরাস’ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে, এমন অভিযোগ অবশ্য আগেই তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।  মার্কিন বিশেষজ্ঞদেরও দাবি ছিল, উহানের বায়োসেফটি ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরি করছিল চিন। সেখানেই এমন ভাইরাস তৈরি করা হচ্ছিল, যা লিক হয়ে যায় ল্যাবরেটরি থেকে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিই দায়ি এই অতিমহামারীর জন্য। তাদের বায়োসেফটি ল্যাবরেটরি থেকেই যে ভাইরাস ছড়িয়েছে এমন প্রমাণ তাঁর কাছে আছে। সেই প্রমাণ কী তা সাংবাদিকরা জানতে চাইলে, ট্রাম্পের জবাব, এখনই সেটা বলবেন না তিনি।

জলন্ধরের পর এবার সাহারানপুর থেকে হিমালয় দর্শন, ৩০ বছর পর দেখা গেল ঝকঝকে গঙ্গোত্রী

করোনার সংক্রমণ রোধ করতে পারে সিগারেটের নিকোটিন, চাঞ্চল্যকর দাবি এবার গবেষকদের

করোনার ভ্যাকসিনের সঙ্গে এবার বাংলার যোগ, অক্সফোর্ডের গবেষক দলের সদস্য কলকাতার মেয়ে

হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক সম্মেলনে একজন সাংবাদিক ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনার কাছে এমন কোনো প্রমাণ আছে যে, উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি থেকেই এই ভাইরাস ছড়িয়েছে?’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার কাছে প্রমাণ আছে।’

এই অনুসন্ধান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও বিষয়টি নিয়ে তাঁর এখন তথ্য দেওয়ার অনুমতি নেই বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। এদিকে এই কথা বলার পরই ট্রাম্প জানান,  চিনকে শায়েস্তা করতে বাণিজ্যিক পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা ভাবছে তাঁর প্রশাসন। বাণিজ্য যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে চিনের সঙ্গে চুক্তিতে সই করলেও বর্তমান আবহে যে সেই চুক্তি থেকে সরে আসবে আমেরিকা, তা স্পষ্ট করে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে  বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ যে মারণ থাবা বসিয়েছে, তাতে আপাতত সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত আমেরিকাই। মার্কিন মুলুকে করোনা সংক্রমণে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৩ হাজারেরও বেশি মানুষের। আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লক্ষ ছুঁই ছুঁই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনার বলি হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ। এখনও সেদেশে সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৮ লক্ষ ৩৪ হাজার জন। যাদের মধ্যে ১৫ হাজার ৩০০ জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।