রবিবারই সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভাক্সিনকে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক ডিসিজিআই। ভারত সরকার জানিয়েছে যে ফ্রন্ট লাইনের কর্মীদের প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কিন্তু, ক্লিনিকাল ট্রায়াল শেষের আগেই কোভ্যাক্সিনকে ছাড়পত্র দেওযা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়ছে। অখিলেশ যাদব বলেছেন, 'বিজেপির ভ্যাকসিন'এ ভরসা নেই। প্রায় একই কথা বলছেন বহু সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রথম সারির কর্মীরা। তবে এই দেশে নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

কাইজার ফ্যামিলি ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ২৯ শতাংশ স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্মী ও ফ্রন্টলাইনার্স টিকা নিতে নারাজ। তাঁরা জানিয়েছেন করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। মার্কিন সরকার, ফাইজার এবং মডার্নার কোভিড টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু, সরকারি সেই দাবি বিশ্বাস করতে পারছেন না তাঁরা।

অন্যদিকে, দ্য ল্যানসেট অন দ্য সামার পত্রিকায় প্রকাশিত আরও এক সমীক্ষার প্রতিবেদন বলছে, ফ্রন্টলাইনার্সদের থেকেও করোনার টিকা গ্রহণে বেশি ভয় রয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিনিদের মধ্যে। মাত্র ৪৩ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন জানিয়েছেন তাঁরা করোনার টিকা নেবেন। বাকি ৫৭ শতাংশই প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এই নিয়ে সোমবার মার্কিন প্রদেশ ওহায়ো-র গভর্নর মাইক ডিওয়াইন বলেছেন, ওই প্রদেশে, প্রায় ৬০ শতাংশ নার্সিং কর্মী ভ্যাকসিন ডোজ নিতে অস্বীকার করেছেন। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ইচ্ছুক নার্সিং কর্মীদের সংখ্যা এত কম থাকাটা হতাশাজনক। মার্কিন দমকল বাহিনীর সংগঠন জানিয়েছে, নিউইয়র্ক দমকল বিভাগের ৫৫ শতাংশ কর্মচারীই জানিয়েছেন তাঁরা টিকা নিতে চান না।