শীতকালের জন্য কাউন্টডাউন শুরু করে দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু নতুন গবেষণা বলছেন শীতকালে আরও বাড়তে পারে করোনাভাইরাসের প্রকোপ। এমনিতেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণে শ্বাসকষ্ট  একটি লক্ষণ। শীতকালে শ্বাসকষ্টের সংক্রমণ আরও বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল বিশেষজ্ঞরা। ন্যানো লেটারস জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্টে রীতিমত সতর্ক করে বলা হয়েছে যে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে মাস্ক পরা অত্যান্ত জরুরি। তবে করোনা গাইডলাইনে দেওয়া নিরাপদ শারীরিক দুরত্ব আগামী দিনের জন্য যথেষ্ট নয় বলেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন রেসপিরেটারি ড্রপলেটে করোনার জীবাণু অনেক দূর ছড়িয়ে যাওয়ার প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে।  


ক্যালিফোর্নিয়ার এক গবেষক জানিয়েছেন তাঁরা প্রত্যক্ষ করে দেখেছেন, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের প্রস্তাাবিত ৬ ফুটেরও বেশি দূরত্বে শ্বাসকষ্টে আক্রান্তের রোগীদের থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন তামমাত্রা কম থাকা আর আর্দ্রতা বেশি থাকা এলাকায় মানুষের কথা বলা, হাঁচি, কাশি থেকে করোনাভাইরাসের জীবানু হাওয়ার সঙ্গে অনেকটাই দূরে যেতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে জীবাণুগুলির গতি ৬ ফুটেরও বেশি হয়। আর এই জাতীয় পরিবেশে করোনার জীবাণু অনেক সময় বেঁচে থেকে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি গ্রীষ্ণকালে অ্যারোসেলের মাধ্যমে করোনা জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে দেখা গিয়েছিল। আর শীতকালে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে রেসপিরেটারি ড্রপলেট। 

বিজ্ঞানীদের কথায় যেসব জায়গায় তামপাত্রা খুব কম হয় আর আর্দ্রতার পরিমাণ অনেকটাই বেশি হয়, সেখানে রেসপিরেটারি ড্রিপলেট মাটিতে পড়ার আগেই ৬ ফুট দূরত্ব অতিক্রন করতে পারে। আর সেই কারণেই ফল, সবজি বা মাংস সংরক্ষণকেন্দ্র গুলিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। তাই বিজ্ঞানীরা শীতকালে মাস্কের ব্যবহার করার পাশাপাশি ভিড এড়িয়ে চড়া বা নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব মেনে চলার ওপর এখন থেকেই জোর দিচ্ছেন।