মায়ানমারের বাসিন্দাদের ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। নির্বাচিত নেত্রী আন সান সুকিকে ক্ষমতাচূত্য করার ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার বিরুদ্ধে ক্রমেই দেশের মধ্যে তৈরি হচ্ছিল ক্ষোভ। এই অবস্থায়  মায়ানমারের কিছু কিছু অঞ্চলে ইন্টারনেট চালু করা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। ইন্টারনেট মনিটারিং সার্ভিস টুইটারে বলেছে স্থানীয় সময় দুপুর ২টো নাগাদ মায়ানমারে আংশিক ভাবে চালু করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। বেশ কয়েকটি নেট পরিষেবা সংস্থাও টুইটারে সার্ভিস চালু হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। 

সেনা বাহিনীর নির্দেশে শনিবার মায়ানমারের সর্বত্র নেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তথ্যের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন কয়েক লক্ষ মানুষ। তবে এমপিটি, ওরেডো, টিলিনোর ও মাইটেলের সঙ্গে যুক্ত পরিষেবা গুলি ব্যবহার করা মোবাইল ফোনের গ্রাহকরা মোবাইল ইন্টারনেট ডেটা ও ওয়াইফাই অ্যাক্সেস করতে পারতেন। কিন্তু তা নিয়েও দেশের মধ্যে কিছু মানুষ অসন্তোষ দেখাতে শুরু করেন। সোমবার সামরিক অভ্যুক্থানের পর এক প্রতিবাদী জনতা আরও বড় সাহসী হয়ে উঠেছে। সু চির দল ও তার সহযোগী নাগরিকদের আহ্বানে এখনও পর্যন্ত অহিংসভাবেই তাঁরা প্রতিবাদ করছেন। 

কী কারণে হিমবাহে বিস্ফোরণ, কেনই বা উত্তরাখণ্ডে এই ভয়ঙ্কর প্রকৃতিক বিপর্যয় ...

জলবায়ু পরিবর্তনেই কি হিমবাহ বিস্ফোরণ, ৭ বছর পর কেদারনাথের স্মৃতি ফিরে এল চামোলিতে ...

রেঙ্গুনে সিটি হলের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করছিলেন একদল প্রতিবাদী। তবে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়। বেশ কয়েকটি দল শহরে মিছিল করে। হিংসা রুখতে প্রচুর পরিমানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখনও পুর্যন্ত মায়ানমার থেকে বড় কোনও হিংসার খবর পাওয়া যায়নি। বিদেশী একটি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী ট্রেড ইউনিয়নের নেতা,শিক্ষার্থী ও বুদ্ধিজীবিরা একটি মিছিল বার করে। প্রায় ২ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল। তার সুচির সমর্থনে স্লোগানও দিয়েছিল। মূল সড়ক ধরেই তারা মিছিল করে। 
মায়ানমারের মানবাধিকার বিষয়ক জাতি সংঘের বিশেষ প্রতারক টম অ্যান্ড্রুজ বলেছেন য়ে ইন্টারনেট ব্যহত হওয়া বিপজ্জনক। যা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে অভিযোগ করেছেন শাসক সেনাবাহিনী ইন্টারনেট বন্ধ করে নাগরিকদের প্রতিবাদ আন্দোলনকে পঙ্গু করে দেওয়া চেষ্টা করছে।