নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ব্রিটেনে পাওযা করোনার নতুন স্ট্রেইন। সোমবার নভেল করোনার এই রূপভেদ পৌঁছে গেল অস্ট্রেলিয়াতেও। তারমধ্যেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, অনুমোদন দিল ফাইজার-বায়োএনটেক'এর তৈরি করোনভাইরাস ভ্যাকসিনকে। আগেই ইইউঃএর নেতা উরসুলা ভন দের লেইন বলেছিলেন ২৭ কিংবা ২৯ ডিসেম্বর থেকেই ইউরোপে তাঁরা টিকাকরণ শুরু করতে চান। তার দিন কয়েক পরই তাদের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই চিকাকে অনুমোদন দিল। তারা বলেছে, ইইউ-এর সুরক্ষা, নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য বাধ্যবাধকতা মেনেই এই ভ্যাকসিন-কে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে যে দেশে বিশ্বের প্রথম টিকাকরণ শুরু হয়েছিল, সেই ব্রিটেনই এখন বাকি বিশ্বের কাছে ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোমবার যুক্তরাজ্য থেকে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস-এ আসা দুই পর্যটকের দেহে করোনাভাইরাস-এর নয়া পরিবর্তিত রূপ-এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ব্রিটেন-এর বিজ্ঞানীদের মতে এই নয়া রূপভেদটি আগের স্ট্রেইনগুলির তুলনায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি সংক্রামক হতে পারে। এরমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি হতে দেখা গিয়েছে। তবে তারসঙ্গে ব্রিটেনের স্ট্রেইনটির কোনও যোগসূত্র নেই বলেই জানিয়েছে অজি কর্তৃপক্ষ। রবিবার ইতালিতেও যুক্তরাজ্ থেকএ আসা এক ব্যক্তির দেহে নয়া স্ট্রেইনটি পাওয়া গিয়েছিল।  

এর ফলে ব্রিটেনের ইউরোপিয় প্রতিবেশী দেশগুলি তো বটেই, তাছাড়াও কানাডা, ইরান, হংকং-সহ বেশ কয়েকটি দেশ ব্রিটেনের সঙ্গে উড়ান যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। সোমবার ভারতের অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকও জানিয়েছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রিটেনের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ স্থগিত রাখা হচ্ছে। লকডাউনের পর থেকে জাপানের সঙ্গে ব্রিটেনের উড়ান  যোগাযোগ এখনও চালুই হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া, চিন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার মতো অনেক এশিয় দেশই যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ না করলেও ব্রিটেন থেকে আগতদের কোয়ারেন্টাইনে তাকার সময় বাড়াচছে, এবং পরীক্ষাও আরও বাড়াচ্ছে।a