শনিবার ইজরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তেহরান এই খবর নিশ্চিত করেছে এবং আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে। এই ঘটনার পর ইরানে ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

US-Israel Iran War: শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজরায়েল। আর এই হামলাতেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। খামেনির মৃত্যুর দাবির মাঝেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর উঠে এসেছে। খবর অনুযায়ী, ইরানে ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। খামেনির মৃত্যু নিয়ে অনেক কিছুই দাবি করা হচ্ছে। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে,আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করল তেহরানও।

সর্বপ্রথম সমাজ মাধ্যমে নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে যে হামলা চালানো হয়েছে, তাতেই মৃত্যু হয়েছে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু খামেনেইয়ের। এই পথে হেঁটে কিছু সময় পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই একই দাবি করেন। তখন ইরান এই তথ্য অস্বীকার করলেও রবিবার সকালেই সংবাদ মাধ্যমে তারা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

"ইরানি জনগণের জন্য একটি দুর্দান্ত সুযোগ"

তিনি আরও বলেন যে খামেনির সঙ্গে অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতাদেরও হত্যা করা হয়েছে, এবং তিনি কিছুই করতে পারেননি। এই মুহূর্তটিকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করে ট্রাম্প বলেন যে ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ ফিরিয়ে নেওয়ার এটি সবচেয়ে বড় সুযোগ। তিনি দাবি করেন যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্য দায়মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা এখন তা পেয়েছে, কিন্তু পরে তাদের কেবল মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। অন্যদিকে, ট্রাম্প অব্যাহত সামরিক চাপের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে এবং প্রকৃতপক্ষে সমগ্র বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ ভারী এবং সুনির্দিষ্ট বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে। ইরান স্বাধীনভাবে খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

"খামেনির মৃতদেহ উদ্ধার"

একজন বড় ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে ওয়াশিংটন ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ করে ১৯৮৯ সাল থেকে ইরান শাসনকারী এই নেতাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।