দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক মজবুত করার জন্য সৌদি আরব পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে কিং আব্দুল আজিজ মেডেলে সম্মানিত করেছে। এটি পাকিস্তান-সৌদির উন্নত সম্পর্কের ইঙ্গিত।

রিয়াদ। সৌদি আরব সরকার পাকিস্তানের চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস (CDF) আসিম মুনিরকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান, কিং আব্দুল আজিজ মেডেল প্রদান করেছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান রিয়াদে মুনিরকে এই সম্মাননা দেন। খালিদ বিন সালমান X-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, "আমি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে আমাদের সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সৌদি-পাকিস্তান সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর বিশেষ প্রচেষ্টার জন্য কিং আব্দুল আজিজ মেডেল অফ এক্সেলেন্ট ক্লাস দিয়ে সম্মানিত করেছি।"

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পাকিস্তান-আরবের মধ্যে উন্নত সম্পর্ক

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রদান করা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির দিকেই ইঙ্গিত করে। উল্লেখ্য, এই বছর দুই দেশের মধ্যে একে অপরের নিরাপত্তা রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

Scroll to load tweet…

সৌদি আরব-পাকিস্তানের মধ্যে কী চুক্তি?

সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে। ন্যাটো দেশগুলির ধাঁচে হওয়া এই চুক্তির অধীনে, পাকিস্তান বা সৌদি আরবের উপর যদি কোনো বাহ্যিক হামলা হয়, তবে তা উভয় দেশের উপর আক্রমণ হিসাবে গণ্য করা হবে। অর্থাৎ, দুই দেশের সেনাবাহিনী একে অপরের সুরক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকবে। এই চুক্তির তিন মাস পরেই সৌদি আরব আসিম মুনিরকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও বেশি সমন্বয় দেখা যেতে পারে।

প্রিন্স খালিদ-আসিম মুনিরের মধ্যে কোন বিষয়ে আলোচনা?

এদিকে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, আসিম মুনির সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং উদীয়মান ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচনার সময় উভয়েই পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক আরও উন্নত করার উপর জোর দেন। অন্যদিকে, মুনির সৌদি আরব থেকে পাওয়া সর্বোচ্চ সম্মানকে একটি গর্বের মুহূর্ত বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি, এই পুরস্কারকে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।