মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এখনও পর্যন্ত এটাই তার সবচেয়ে বড় স্বীকারোক্তি বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার সম্মেলনে গিয়ে ইমরান খান বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই, আল কায়দা-সহ অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বলে স্বীকার করে নিলেন ইমরান খান। 

এদিন পাক প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, ২০০১ সালে ১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যে বিমান হামলা হয়েছিল, তাতে অভিযুক্ত আল কায়দা জঙ্গিদের পাকিস্তানের আইএসআই সংগঠন এবং পাকিস্তানি সেনারা প্রশিক্ষণ দিয়েছিল বলে জনান তিনি। বলা বাহুল্য এই প্রথম কোনও পাকিস্তানি নেতা প্রকাশ্যেই স্বীকার করে নিলেন যে, পাক জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়দা পাকিস্তানি সেনা এবং আইএসআই-এর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। 

প্রসঙ্গত, সোভিয়েত সেনাবাহিনী যখন আফগানিস্তান ছাড়তে শুরু করে সেই সময়েই ওয়ামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল জঙ্গি সংগঠন আল কায়দা। সালটা ১৯৮৮, সেই বছর ১১ অগাস্ট তারিখে পাকিস্তানের পেশোয়ারে গঠিত হয় আল কায়দা। সেই বছরই ১৫ মে থেকে আফগানিস্তান ছাড়তে শুরু করে সোভিয়েত বাহিনী, এই প্রক্রিয়া চলে পরের বছর অর্থাত ১৯৮৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।  

আরও পড়ুন- নাম বদলে ফেলল জইশ জঙ্গি গোষ্ঠী, বড়সড় আত্মঘাতী হামলার জন্য চলছে প্রস্তুতি

আরও পড়ুন- পুজোর আগেই সুখবর, দু-দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘট আপাতত স্থগিত রাখা হল

আরও পড়ুন- 'হাউডি মোদী'র পর ফের ভোলবদল, ইমরানের সঙ্গে বৈঠকে ফের কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতার দাবি ট্রাম্পের

সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে আয়োজিত, সেন্টার ফর ফরেন রিলেশনস-এর বৈঠকে এসে ইমরান খান বলেন, পাকিস্তানি সেনারা আল কায়দার তখনও সংযোগ ছিল, কারণ তারাই তাদের প্রশিক্ষণ দিত। তবে প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও বলেন যে, ৯/১১-র জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তান নিজের নীতিতে ১৮০ ডিগ্রি বদল এনেছে। তবে পাক হিউস্টনে আয়োজিত হাউডি মোদী অনুষ্ঠানে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনেই নাম না করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের ঘাঁটি বলেও দাবি করেন নরেন্দ্র মোদী।