এমনিতেই বেশ রঙিন জীবন যাপনের জন্য পরিচিত থাইল্যান্ডের রাজা মহা বাজিরালংকর্ন। ২০১৯ সালের অগাস্টে থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাজা হিসাবে প্রকাশ্যে তিনি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। উপপত্নী ৩৫ বছর বয়সী সিনিয়েনট ওয়াংভাজিরাপাকদী-কে তাঁর 'মহৎ স্ত্রী' উপাধি দিয়েছিলেন তিনি। এবার রাজপরিবারের আরও এক কেচ্ছা একেবারে সামনে চলে এলে। ফাঁস হল 'মহৎ স্ত্রী'র এক হাজারেরও বেশি যৌনতায় ভরা নগ্ন ছবি।

জানা গিয়েছে, অ্যান্ড্রু ম্যাকগ্রেগর মার্শাল নামে, থাই রাজতন্ত্রের সমালোচক এক ব্রিটিশ সাংবাদিক-এর কাছে বেনামে ওই ছবিগুলি পাঠানো হয়েছে। মার্শাল জানিয়েছেন, গত অগাস্ট মাসে তাঁর বাড়ির ঠিকানায় একটি চিঠি এসেছিল। তার ভিতরে ছিল একটি 'এসডি কার্ড'। তারমধ্যে, থাই রাজার উপপত্নীর যৌন আবেদনে ভরপুর ১,৪৪৩ টি ফটোগ্রাফ ছিল। তার মধ্যে অধিকাংশই ছবিতেই থাই রাজ পরিবারের 'মহৎ স্ত্রী'কে নগ্ন অবস্থায় দেখা গিয়েছে। মার্শালের ধারণা সিনিয়েনট-এর মালিকানাধীন তিনটি আইফোন থেকেই ওই ছবিগুলি কপি করা হয়েছে।

কিন্তু কে করল এই কাজ? থাই রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্ররা আঙুল তুলছে ৪১ বছর বয়সী থাই রানী সুথিদা-র দিকে। থাই জনতাও বলছে, এই কেলেঙ্কারিতে রাজপরিবারের অন্দরের তিক্ততা একেবারে প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। জানা গিয়েছে থাই রাজার বৈধ ও অবৈধ দুই পত্নির মধ্যে তীব্র শত্রুতা রয়েছে। বস্তুত আগে ৬৮ বছরের থাই রাজার নার্স হিসাবে কাজ করতেন সিনিনেট। সুথিদার সঙ্গে রাজার বিবাহের তিন মাস পরই সিনিনেট-এর সঙ্গে থাই রাজার অবৈধ সম্পর্কের কথা ফাঁস হয়েছিল। ২০১৯ সালে প্রথমে তাঁকে কারাবন্দিও করা হয়েছিল। পরে রাজার হস্তক্ষেপেই আবার তিনি রাজ পরিবারে ফিরে এসেছিলেন। ছবিগুলি, সেই সময়েরই বলে মনে করা হচ্ছে।