India Map: বাণিজ্যিক চুক্তির মধ্যেই নজর কেড়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের শেয়ার করা ভারতের মানচিত্র। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই মানচিত্র নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের শেয়ার করা মানচিত্রে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)-জম্মু ও কাশ্মীরকেই ভারতের অংশ। 

শনিবার নতুন দিল্লি ও ওয়াশিয়ংটন একটি অন্তবর্তীকালীন বাণিজ্যিক চুক্তির কাঠামো ঘোষণা করেছে। যদিও আগে থেকেই ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি হওয়ারই কথা ছিল। কিন্তু এই চুক্তির মধ্যেই নজর কেড়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের শেয়ার করা ভারতের একটি মানচিত্র। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই মানচিত্র নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ মার্কিন প্রশাসনের শেয়ার করা মানচিত্রে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)-সহ সমস্ত জম্মু ও কাশ্মীরকেই ভারতের অংশ হিসেবে দেখান হয়েছে। একই সঙ্গে সেই মানচিত্রে আকসাই চিনও অন্তর্ভুক্ত ছিল ছিল, যা এখনও চিন তাদের নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। এই ম্যাপ দেখে রীতিমত উৎফুল্ল সোশ্যাল মিডিয়া।

তবে আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের বৈধতার জন্য মার্কিন অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল না। কারণ ভারত সর্বদাই দাবি করে আসছে যে কাশ্মীর দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

যদিও আগে মার্কিন যুক্তরষাট্র বা মার্কিন বিদেশ দফতর ভারত বা পাকিস্তানে যে মানচিত্র প্রকাশ করত সেখানে পাকিস্তানের দাবি মেনে নিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসেবেই দেখাত। যা নিয়ে বরাবরই ভারত আপত্তি করেছিল। এই বিষয়ে ভারতের অভিযোগ ছিল গোটা বিষয়টিকে পাকিস্তান বিশ্ব মঞ্চে তুলতে চায়। যা কখনই চায়নি ভারত। একই ভাবে আগে লাদাখের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত ভূখণ্ড যা আকসাই চিন নামে পরিচিত, সেটি চিনের অংশ হিসেবে দেখান হয়েছে যাতে আপত্তি ছিল ভারতের।

প্রকৃতপক্ষে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির ব্যবহৃত মানচিত্রে ভারতের সীমান্তের ভুল চিত্রায়নের - বিশেষ করে জম্মু ও কাশ্মীর এবং অরুণাচল প্রদেশের - বিদেশ মন্ত্রক (MEA) ধারাবাহিকভাবে আপত্তি জানিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ অবশেষে ভারতের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়েছে। তেমনই মনে করছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন।