তালিবানদের ফতোয়ার বিরুদ্ধে এককাট্টা সাংবাদিকরা। কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস জানিয়েছে কাজের জন্য সাংবাদিকদের হয়রানি ও আক্রমণ বন্ধ করতে হবে

তালিবানদের ফতোয়ার বিরুদ্ধে এককাট্টা সাংবাদিকরা। কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস জানিয়েছে কাজের জন্য সাংবাদিকদের হয়রানি ও আক্রমণ বন্ধ করতে হবে, নারী সাংবাদিকদের সংবাদ সম্প্রচারের অনুমতি দিতে হবে এবং গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুমতি দিতে হবে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

১৫ আগস্টের পর থেকে, তালিবান (Taliban) সদস্যরা কমপক্ষে দুজন মহিলা সাংবাদিককে (2 female state TV anchors) পাবলিক ব্রডকাস্টার রেডিও টেলিভিশন আফগানিস্তান (Afghanistan) থেকে সরিয়ে দিয়েছে। তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এরই সঙ্গে পূর্ব নাঙ্গারহার প্রদেশে একটি বিক্ষোভ কভার করার সময় প্রেসের দুই কর্মীর ওপর হামলা চালায় তালিবানরা। 

সিপিজে'র এশিয়া প্রোগ্রাম চিফ স্টিভেন বাটলার বলেন, মহিলা সাংবাদিকদের ওপর যেভাবে চাকরির খাঁড়া নেমে এসেছে, তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তালিবান শাসকরা সাংবাদিকদের কাজের অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে। মহিলা সাংবাদিকদের কাজ করাই বন্ধ করে দিচ্ছে। তালিবানদের উচিত মহিলা নিউজ অ্যাঙ্করকে কাজে ফিরতে দেওয়া, এবং সব সাংবাদিককে নিরাপদে এবং হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ করার অনুমতি দেওয়া। 

১৫ আগস্ট কাবুলে প্রবেশ করে তালিবানরা। সেদিনই তালিবান সদস্যরা রেডিও টেলিভিশন আফগানিস্তান স্টেশনে এসে পৌঁছায়। সেখানকার প্রধানের পদ দখল করে এক তালিবান নেতা। সেদিনই বরখাস্ত করা হয় দুই মহিলা সংবাদপাঠিকাকে। তাঁদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বলা হয় তালিবানদের পক্ষ থেকে কবে তারা চাকরিতে ফিরতে পারবেন, তা জানিয়ে দেওয়া হবে। 

রেডিও টেলিভিশন আফগানিস্তান স্টেশনের মহিলা সাংবাদিকদের আরও জানানো হয়, শাসন ক্ষমতা বদলেছে। তাই মহিলাদের বাড়িতে থাকাই ভালো। তবে রেডিও টেলিভিশন আফগানিস্তান স্টেশনে কাজ করতে পারবেন পুরুষ সাংবাদিকরা বলে জানানো হয়েছে। ওই বরখাস্ত হওয়া দুই মহিলা সাংবাদিকের জায়গায় এখন খবর পড়ছেন দুই তালিবান নেতা বলে জানা গিয়েছে। 

এদিকে, কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস জানাচ্ছে, আফগানিস্তানে সাংবাদিক এবং তাদের পরিবার মারাত্মক বিপদের মধ্যে রয়েছে। একজন ডিডব্লিউ সাংবাদিকের ঘটনা থেকে দেখা যায় যে, তালিবানদের টার্গেটেড কিলিং করার ব্যাপারে কোন বাচবিছার নেই। তালিবানরা এক সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের খুন করেছে বলে খবর মিলেছে। বাকি সদস্যরা কোনওক্রমে পালাতে পারেন।