- Home
- World News
- International News
- Trump-Iran Conflict: 'আজ রাতেই ইরানে ভয়ঙ্কর হামলা!' ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব, টার্গেট খনিজ তেল
Trump-Iran Conflict: 'আজ রাতেই ইরানে ভয়ঙ্কর হামলা!' ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব, টার্গেট খনিজ তেল
Trump Threatens: বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ফের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমেরিকা 'আজ রাতেই' ইরানের ওপর 'ভয়ঙ্কর হামলা' চালাবে।

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ইরানকে ফের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন। ইসলামিক রিপাবলিকের সঙ্গে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত করার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও, তিনি জানিয়েছেন যে আমেরিকা 'আজ রাতেই' ইরানের ওপর 'ভয়ঙ্কর হামলা' চালাবে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যালে' একটি পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ওয়াশিংটন খুব শীঘ্রই ইরানের খার্গ দ্বীপ (Kharg Island) এবং অন্যান্য তেলের পরিকাঠামো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। খার্গ দ্বীপ ইরানের প্রায় সমস্ত তেল রফতানির প্রধান টার্মিনাল। ট্রাম্পের লক্ষ্য তেহরানের তেল ও গ্যাসের বাজার পুরোপুরি দখল করা। তিনি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তুলনা টেনে বলেন, সেখানকার তেল সম্পদের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ 'ভেনেজুয়েলা এবং আমেরিকা উভয়ের জন্যই দারুণভাবে কাজ করেছে'।

ইরানের আক্রমণাত্মক ক্ষমতা শেষ!
ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার, অ্যান্টি-এয়ারক্র্যাফ্ট এবং বেশিরভাগ আক্রমণাত্মক ক্ষমতা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে।
পোস্টটিতে তিনি লেখেন, "আমেরিকা আজ রাতে ইরানের ওপর ভয়ঙ্কর হামলা চালাবে (যাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার, অ্যান্টি-এয়ারক্র্যাফ্ট এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সঙ্গে বেশিরভাগ আক্রমণাত্মক ক্ষমতা শেষ হয়ে গিয়েছে!)। খুব শীঘ্রই আমরা খড়্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেলের পরিকাঠামো দখল করব এবং তাদের তেল ও গ্যাসের বাজারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেব, ঠিক যেমনটা আমরা ভেনেজুয়েলার সঙ্গে করেছি, যা ভেনেজুয়েলা এবং আমেরিকা উভয়ের জন্যই দারুণভাবে কাজ করছে।"
আবার ইরানে হামলার হুমকি ট্রাম্পের
এর আগে বুধবারও ট্রাম্প ইরানকে আক্রমণের হুমকি দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত করতে তেহরানের দেরিতে তিনি বেশ হতাশ। ওভাল অফিসে বসে ট্রাম্প বলেন, "আমরা ওদের ওপর হামলা করতে চলেছি, খুব ভয়ঙ্কর হামলা করব।" তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, ইরানের একটি মার্কিন অ্যাপাচে হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার ঘটনাটি নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের জন্য যথেষ্ট। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "হেলিকপ্টারের ঘটনার ভিত্তিতে, আমার মনে হয় এটা করার অধিকার আমাদের আছে।" তিনি আরও বলেন, "আমরা গতকাল ওদের ওপর কড়া হামলা করেছি। আজ আবার করব, যদি আপনারা টিভিতে না দেখে থাকেন। তারপর দেখব চুক্তির কী হয়।"
বুধবারের হামলা
বুধবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, মার্কিন বাহিনী ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে অতিরিক্ত 'আত্মরক্ষামূলক হামলা' চালিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তেহরানের সামরিক নজরদারি ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং এয়ার ডিফেন্স সাইটগুলিকে নিশানা করা হয়েছে।
সতর্ক মার্কিন বাহিনী
সেন্টকমের মতে, মার্কিন মেরিন কর্পস, বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনীর ইউনিটগুলি ইরানের সেইসব টার্গেটে নির্ভুল হামলা চালিয়েছে, যা এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি ছিল। এই পদক্ষেপ ইরানের ক্রমাগত এবং অযৌক্তিক আগ্রাসনের জবাব। মার্কিন বাহিনী সতর্ক, সক্ষম এবং প্রস্তুত রয়েছে।
আলোচনা চলছে
এদিকে, CNN জানিয়েছে যে, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা এখনও ভেস্তে যায়নি। এক কূটনৈতিক সূত্রের খবর, দু'পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা সত্ত্বেও রাতভর আলোচনা অব্যাহত ছিল।

