বুধবার রাতে ৪.৩ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্পে ফের কেঁপে উঠল তিব্বত, যার প্রভাব পড়ে চিন ও আফগানিস্তানেও। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ৭ মাত্রার এক শক্তিশালী কম্পনে তিব্বতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
ফের ভূমিকম্প তিব্বতে। বুধবার রাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয় তিব্বতে। এর পাশাপাশি কেঁপে উঠল চিন এবং আফগানিস্তানও। এদিকে কয়েকদিন আগেই তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছিল তিব্বতে। ভারতীয় সময় বুধবার রাত ৩টে ১৬ মিনিট নাগাদ কম্পন হয়। রিখটা স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে একাধিকবার কেঁপে উঠল তিব্বত। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭। এরপর অনেক বারই কম্পন অনুভূত হয় তীব্বতে। সেখানে আফটার শকের পাশাপাশি কম্পন অনুভূত হয় চিনেও। ওই শক্তিশালী কম্পনে তীব্বতে প্রয়াত হয়েছিলেন ১৮ জন।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের জোড়া ভূমিকম্প হল তিব্বতে। ন্যাশনাল সেন্টার অফ সিসমোলজির তথ্য অনুসারে, ভারতীয় সময় বুধবার রাত ৩টে ১৬ মিনিট নাগাদ কম্পন হয়। রিখটা স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীর ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। বুধবার রাত ৮টা ১৬ মিনিট নাগাদও কেঁপে ওঠে তিব্বত। তবে, এখনও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর আসেনি।
এরই পাশাপাশি কম্পন অনুভূত হয়েছে আফগানিস্তানেও। বুধবার রাত ১টা ৪৪ মিনিটে ৪ মাত্রার এবং বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৩৯ মিনিটে ৪.২ মাত্রার কম্পন হয় আফগানিস্তানে। প্রথম ভূমিকম্পেক উৎসস্থল ছিল মাটির ১০৩ কিলোমিটার গভীরে। অন্যটির ভূপৃষ্ঠের ২২৮ কিলোমিটার নীচে বলে জানিয়ে দিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার অফ সিসমোলজি।
এদিকে একই দিনে কেঁপে উঠল চিন। বুধবার রাত ১১টা ১৮ মিনিট নাগাদ কেঁপে ওঠে চিনের মাটি। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। মাটির মাত্র ১৫ কিলোমিটার নীচে ছিল এর উৎসস্থল। এই এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল বলে চিহ্নিত। ওই অঞ্চলে প্রায় দিনই ভূমিকম্প হয়।
সব মিলিয়ে ফের কাঁপে উঠল তিব্বত। সঙ্গে কেঁপে উঠল চিন এবং আফগানিস্তানও। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ভূমিকম্প হয়। বুধবার রাতে এই কয়টি স্থানে অনুভূত হয় এই কম্পন।




