Bangladesh News: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বাংলাদেশে ফেরার কথা ঘোষণা করার পরেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হল। হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার আগেই চলতি মাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে চলেছে। তবে এবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা কম। কারণ, একজন প্রার্থীই থাকতে পারেন।

DID YOU
KNOW
?
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ
সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহাবুদ্দিন। এই কারণেই নতুন করে নির্বাচন হবে।

Bangladesh President Election: বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, ২০ অগাস্ট বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনে যদি একাধিক প্রার্থী থাকেন, তাহলে সেদিন দুপুর দুটো থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন এই নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, ১৩ অগাস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। ১৬ অগাস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১৮ অগাস্ট মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে শোনা যাচ্ছে, সাধারণত ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত একমাত্র প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সে ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না। যদি মাত্র একজন বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে ১৮ অগাস্টই তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজন সংসদ সদস্যকে সমর্থক হতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীর নিজস্ব সম্মতিসূচক স্বাক্ষরও থাকতে হবে। যদি প্রার্থীর সংখ্যা একজনের বেশি না হয়, তাহলে তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৯১ সাল থেকে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ

বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার স্থান হবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় এবং ভোটগ্রহণের স্থান হবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষ। রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহাবুদ্দিন ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।