Chinmoy Krishna Das: বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি এখনও কারাবন্দি। তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়নি। তবে তাঁর মা প্রয়াত হওয়ায় কয়েক ঘণ্টার জন্য কারাগার থেকে ছাড়া হল।

DID YOU
KNOW
?
জামিন পাননি চিন্ময় কৃষ্ণ
বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বারবার জামিনের আবেদন জানালেও, তাঁর সেই আর্জি মঞ্জুর হয়নি।

Bangladesh News: প্রয়াত বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা সন্ধ্যা রানি ধর। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ন'টা নাগাদ চট্টগ্রামের (Chattogram) হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের পুণ্ডরীক ধামে তিনি প্রয়াত হন। মা প্রয়াত হওয়ায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক এই নির্দেশ দেন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা প্রয়াত হওয়ার পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আবেদন করা হয়। এই আবেদনে সাড়া দিয়ে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে প্যারোলে মুক্তির নির্দেশ দেয় আদালত।

মাকে শেষবার দেখতে পেলেন না চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর ছেলেকে শেষবার দেখতে চেয়েছিলেন। তাঁর এই ইচ্ছার ভিত্তিতে প্যারোলের আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু মা প্রয়াত হওয়ার আগে প্যারোলে মুক্তি পাননি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। তাঁর মা অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ছেলের আশ্রমেই জীবনের শেষ সময় কাটাতে চেয়েছিলেন তিনি। তাঁর সেই ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিবার-পরিজনরা তাঁকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রমে নিয়ে যান। সেখানেই তিনি বৃহস্পতিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

ছেলের জন্য উদ্বেগ নিয়েই প্রয়াত মা

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ছেলে দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি থাকায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সন্ধ্যা রানি ধর। ছেলের অসুস্থতা, বারবার জামিনের আবেদন নাকচ হওয়া এবং কারাগার থেকে মুক্তি না পাওয়ায় তিনি গভীর দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন, সম্প্রতি জামিন পাবেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। কিন্তু সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যাওয়ায় সন্ধ্যা রানি ধরের উদ্বেগ বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। তাঁর হৃদযন্ত্রেও সমস্যা ধরা পড়ে। তাঁর চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিলেন না।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।