Nepal Flood Situation: নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের স্মৃতি এত তাড়াতাড়ি মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। এরই মধ্যে ফের হড়পা বান দেখা গেল। বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। এর ফলে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বর্ষার শেষদিকেও কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল, সেই প্রশ্ন উঠছে।
KNOW
Nepal Disaster: নেপালে ফের প্রাকৃতিক বিপর্যয়। গোর্খা জেলার (Gorkha District) চুমনুবরি (Chumnubri Village) গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হড়পা বানের ফলে এই গ্রামীণ পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের নিয়াকচেট ও ফিলিম বাজারের সংযোগকারী একটি সেতু ভেসে গিয়েছে। ঘাট্টে খোলা অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বাড়িতে কাদা-জলে ভরে গিয়েছে। বুধি গণ্ডকী নদীর (Budhi Gandaki) জলস্তর ক্রমশঃ বাড়ছে। এই ঘটনার খবর পাওয়ার পর নেপাল পুলিশ, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু করেছে। দুর্গত অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। হড়পা বানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।
নাগরিকদের সতর্ক করে দিচ্ছে নেপাল সরকার
নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুধান গুরুং (Sudhan Gurung) বলেছেন, যাঁদের নদীর কাছাকাছি অঞ্চলে বাড়ি, তাঁদের এই জরুরি পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে হবে। তাঁদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার এবং ধৈর্য ধরে থাকার অনুরোধও জানিয়েছেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি নাগরিকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনে চলতে এবং অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়াতেও অনুরোধ করেছেন। জরুরি সহায়তার জন্য হেল্পলাইন নম্বর ১২৩৪ চালু করেছে নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
নেপালে পরপর বিপর্যয়
রবিবার সকালে বুধি গণ্ডকী নদীতে হঠাৎই হড়পা বান দেখা যায়। আচমকা নদীর জলস্তর বাড়তে থাকে। পাথর, কাদার কালো জলস্তর এগিয়ে এসে গিলে নেয় বাড়ি-ঘর। হঠাৎ জলস্তর বাড়তে দেখে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীর পাড়ের বাসিন্দারা। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, প্রচণ্ড গতিতে এগিয়ে আসা জলরাশি মুহূর্তে ভাসিয়ে নেয় বাড়ি-ঘর। শুধু বাড়ি-ঘর নয়, ভেসে গিয়েছে একাধিক সেতুও। কেন ফের এই দুর্যোগ তা জানা যায়নি। নেপালের বেশিরভাগ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি নেমেছে, এমন কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ফলে হড়পা বানের কারণও স্পষ্ট নয়। বছরের এই সময় হড়পা বান বা বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু বিপর্যয় যেন নেপালের পিছু ছাড়ছে না।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


