লস্কর-ই-তৈবা ও ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে খালিস্তানপন্থীদের। বিস্তারিত তদন্তের পর এমনই তথ্য হাতে পেয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

কানাডায় বসবাসরত খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের খুন হওয়া নিয়ে ভারত বনাম কানাডার বিতর্ক চড়ছে চরমে। এই আবহে এবার বিচ্ছিন্নবাদীদের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগসূত্র খুঁজে পেলেন গোয়েন্দারা। খালিস্তান ইস্যুতে কয়েকটি তথ্য জমা করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা NIA। সূত্রের খবর, কানাডা-সহ ইউরোপের একাধিক দেশে কীভাবে খালিস্তানপন্থীরা সংগঠন বাড়াচ্ছে, এই তথ্যাদিতে তা স্পষ্ট করেছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

NIA-র নথি থেকে জানা গেছে যে, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে বসবাসকারী খালিস্তানপন্থী শিখরা নিয়মিত টাকা পাঠায় বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল (BKI) সংগঠনের কাছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েই ভারত বিরোধী প্রচার চালায় এই নিষিদ্ধ সংগঠন। গত কয়েকমাসে কানাডার টরেন্টো, ভ্যাঙ্কুভার ও রাজধানী অটোয়ায় একাধিক মিছিল বের করেছিল খালিস্তানপন্থীরা। ভারতীয় হাই কমিশন ও কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল, বিভিন্ন জায়গায় আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়। NIA-র গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাণ্ডের নেপথ্যে ছিল BKI-র হাত।

নিষিদ্ধ এই সংগঠনের সঙ্গে ১৯৯৩-র মুম্বই বিস্ফোরণের মূল চক্রী দাউদ ইব্রাহিমের যোগ খুঁজে পেয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও BKI লস্কর-ই-তৈবা ও ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলছে বলে জানা গিয়েছে।

NIA-র দাবি, ২০০২-তে BKI নেতা লখবীর সিং ঘনিষ্ঠ ইকবাল 'বান্টি', আব্দুল করিম টুন্ডা নামের একজনকে করাচিতে দাউদের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের সঙ্গে বৈঠক করে সে।

বর্তমানে কানাডা ছাড়াও পাকিস্তান, উত্তর আমেরিকা, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, নরওয়ে ও সুইৎজারল্যান্ডে BKI সংগঠন মজবুত করে চলেছে। আর তাঁদের পিছন থেকে মদত দিয়ে চলছে পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI। ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে মিলেছে খবর।