পাকিস্তানের পেশোয়ারের দির কলোনিতে স্কুলের ছাদ ভেঙে অন্তত ২৮ জন পড়ুয়া ও এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩০ জনের বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। খবর পেয়েই রেসকিউ ১১২২ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তান-এর পেশোয়ারে একটি বেসরকারি স্কুলের ছাদ ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২৮ জন শিশু এবং এক শিক্ষিকা বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় মারা গেছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। ৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে আছেন কি না, তা জানতে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি পেশোয়ারের দির কলোনিতে ঘটেছে। মারা যাওয়া শিশুদের বয়স ১৩ বছর বা তার কম বলে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯, আহত ৩০-এর বেশি
পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালের (এলআরএইচ) মুখপাত্র মহম্মদ আসিম নিশ্চিত করেছেন যে এই ঘটনায় ২৮ জন শিশু এবং এক শিক্ষিকা-সহ মোট ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর জরুরি অবস্থা জারি করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আহতদের চিকিৎসার তদারকি করতে ট্রমা ওয়ার্ডে উপস্থিত রয়েছেন বলে আসিম জানান।
৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন এবং ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে। জরুরি পরিষেবা দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।
উদ্ধারকাজ অব্যাহত
রেসকিউ ১১২২-এর অ্যাম্বুলেন্স এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর গাড়ি ছাদ ধসে পড়ার খবর পেয়েই দ্রুত স্কুলে পৌঁছয়। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে এবং জীবিতদের নিরাপদে বের করে আনতে জোরকদমে কাজ শুরু করেন।
উদ্ধারকাজ এখনও চলছে, কারণ ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। জরুরি পরিষেবা দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং প্রশাসন উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিবারগুলোতে এই ঘটনায় বাচ্চাদের হারিয়ে এখন শুধুই কান্নার রোল। অন্যদিকে, আহতদের চিকিৎসা এখনও চলছে। স্কুলের ছাদ ঠিক কী কারণে এভাবে ভেঙে পড়ল, তা এখনও পরিষ্কার নয়। প্রশাসন এই ঘটনার পেছনের কারণ জানতে আরও বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা করছে।








