Serbia Elections 2026: বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি সার্বিয়াতেও সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠেছিল। এই বিক্ষোভের নেতৃত্বে দেখা গিয়েছে পড়ুয়াদের। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের অভিনন্দন জানিয়েছেন টেনিস কিংবদন্তি নোভাক জকোভিচ (Novak Djokovic)।

DID YOU
KNOW
?
পরিবার-সহ গ্রিসে জকোভিচ
সার্বিয়া সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পর পরিবার-সহ গ্রিসে আশ্রয় নেন নোভাক জকোভিচ। এবার তিনি দেশে ফিরতে পারেন।

Serbian Government Topples: সার্বিয়ার নির্বাচনে শাসক দলের হারে উচ্ছ্বসিত টেনিস কিংবদন্তি নোভাক জকোভিচ (Novak Djokovic)। তিনি সরকার-বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়া পড়ুয়াদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর মতে, পড়ুয়াদের আন্দোলনের ফলেই সার্বিয়ায় সরকার বদল হল। এই টেনিস কিংবদন্তি বলেছেন, আন্দোলনকারীরা সার্বিয়ার মানুষকে নিজেদের দেশ নিয়ে গর্বিত করে তুলেছেন। তাঁরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সার্বিয়ার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। মঙ্গলবার বাসেলে (Basel) সুইস ইন্ডোরস টুর্নামেন্ট (Swiss Indoors Tournament) উপলক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে সার্বিয়ায় নির্বাচনের ফল নিয়ে মুখ খোলেন জকোভিচ। সরকার বদল হওয়ায় তিনি খুশি।

আন্দোলনকারীদের পাশে জকোভিচ

প্রায় দু’বছর ধরে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছেন সার্বিয়ার পড়ুয়ারা। এই লড়াইয়ে তাঁদের পাশে থেকেছেন জকোভিচ। এবার নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ (Aleksandar Vučić) হার স্বীকার করে নেওয়ার পর জকোভিচ বলেছেন, ‘এই ঘটনায় আমি অত্যন্ত খুশি। যে ছাত্র-ছাত্রীরা লড়াই করেছেন এবং মর্যাদা ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁরা যা করেছেন, তার জন্য আমি তাঁদের অত্যন্ত সম্মান করি। তাঁরা সার্বিয়ার মানুষের পাশাপাশি সারা বিশ্বের সামনে নিজেদের দেশকে নিয়ে গর্ব করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছেন। জয় নিশ্চিত হয়েছে। এখন আমাদের সকলের আশা, দেশ সমৃদ্ধ হবে এবং সামনে যে ভবিষ্যৎ আসছে, তা উপভোগ করতে পারব আমরা।’

সার্বিয়ায় সরকার বদল

রবিবারের সংসদীয় নির্বাচনে হার স্বীকার করে নিয়েছেন ভুচিচ। তাঁর নেতৃত্বাধীন সার্বিয়ান প্রোগ্রেসিভ পার্টির (Serbian Progressive Party) বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছিল ছাত্র আন্দোলন-সমর্থিত বিরোধী শক্তি। এই ফলাফল সার্বিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে বড় ধাক্কা বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সার্বিয়ার রাজনীতিতে আধিপত্য বজায় রেখেছে এই রাজনৈতিক শিবির। ছাত্র আন্দোলনের এই সাফল্যকে তাই শুধু নির্বাচনী ফলাফল হিসেবেই দেখছেন না জকোভিচ। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া তরুণদের অধ্যবসায় ও দৃঢ়তা সার্বিয়ার মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। দেশের ভবিষ্যৎ আরও সমৃদ্ধ হবে, এই প্রত্যাশাই করছেন তিনি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।