সুপার টাইফুন চাম্পি-র তাণ্ডব! ধেয়ে আসছে বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী মহাঘূর্ণিঝড়

বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'সুপার টাইফুন চাম্পি'-কে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। ফিলিপিন্সে এই ঘূর্ণিঝড় ‘রোসাল’ নামেও পরিচিত। গত কয়েক দিনে ভয়াবহ শক্তি সঞ্চয় করে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে পৌঁছে গিয়েছিল চাম্পি।

Share this Video

বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'সুপার টাইফুন চাম্পি'-কে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। ফিলিপিন্সে এই ঘূর্ণিঝড় ‘রোসাল’ নামেও পরিচিত। গত কয়েক দিনে ভয়াবহ শক্তি সঞ্চয় করে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে পৌঁছে গিয়েছিল চাম্পি। গুয়ামের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময়ও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। শক্তি কিছুটা কমলেও এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী রয়েছে চাম্পি। এবার তাইওয়ানের দিকে এগোচ্ছে এই ঘূর্ণিঝড়। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৩ থেকে ২৪ অক্টোবরের মধ্যে তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এটি। এর জেরে উত্তর ও পূর্ব তাইওয়ানে প্রবল থেকে অতি প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ইলান এবং তাইপেই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল হাওয়া, উত্তাল সমুদ্র এবং জল ঢুকে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তাইওয়ানে ইতিমধ্যেই ১০০-র বেশি বিমান বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে, ফিলিপিন্সের উত্তরাঞ্চলের বাতানেস-সহ কয়েকটি এলাকায় জারি হয়েছে সতর্কতা। উত্তাল সমুদ্র ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে লুজনের উত্তর ও পূর্ব উপকূলেও।

এরপর জাপানের ওকিনাওয়া প্রদেশের ইশিগাকি ও তাকেতোমি দ্বীপপুঞ্জের কাছেও পৌঁছতে পারে চাম্পি। পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ কিউশু এবং পূর্ব চিনের উপকূলীয় অঞ্চলেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমুদ্রের তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে ধীরে ধীরে শক্তি হারাতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও শক্তিতে পরিবর্তন হতে পারে যে কোনও সময়। তাই তাইওয়ান, ফিলিপিন্স ও জাপানের সম্ভাব্য প্রভাবিত এলাকার বাসিন্দাদের স্থানীয় প্রশাসন এবং আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Related Video