
দাবানল মিটতেই ভয়াবহ বন্যা ইন্দোনেশিয়ায়, বিপর্যস্ত বহু মানুষ, বাড়ছে নিখোঁজ, ভাসছে বাড়ি
ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা! একাধিক এলাকায় জলমগ্ন জনপদ, বিপর্যস্ত হাজার হাজার মানুষ।ভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে।
ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা! একাধিক এলাকায় জলমগ্ন জনপদ, বিপর্যস্ত হাজার হাজার মানুষ।ভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে। ২৮–২৯ অক্টোবর-এর পরিস্থিতি ঘিরে উদ্বেগ বাড়িয়েছে নতুন করে ভারী বৃষ্টি, ভূমিধস এবং উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা সংস্থা BNPB-এর তথ্য অনুযায়ী, আচেহ প্রদেশের সুবুলুসসালামে বন্যায় প্রায় ২,৩৪৫ জন এবং উত্তর সুমাত্রার লাবুহানবাটুতে প্রায় ২,৬০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। উত্তর সুমাত্রার আসাহানে প্রায় ২,০২৫ জন এবং দেলি সেরদাংয়ে প্রায় ৭৩০ জনের উপর বন্যার প্রভাব পড়েছে। একাধিক এলাকায় বহু বাড়ি জলমগ্ন হয়েছে। নদীর জল উপচে পড়া এবং বাঁধ ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনাকে বন্যার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উত্তর সুমাত্রার দাইরিতেও বন্যা ও ভূমিধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। দক্ষিণ কালিমান্তানে বন্যার পাশাপাশি বন ও জমিতে আগুন লাগার সমস্যাও রয়েছে। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে সুমাত্রা ও কালিমান্তানের কয়েকটি এলাকায় দাবানল এবং পিটল্যান্ডের আগুনের কারণে তৈরি ধোঁয়াশা কিছুটা কমেছে বলে জানানো হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা BMKG ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে। সুমাত্রা, জাভা ও কালিমান্তানের একাধিক প্রদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পূর্ণিমা এবং চাঁদের পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থানের কারণে কিছু উপকূলীয় এলাকায় সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস বা রব বন্যা (Banjir Rob)-এর ঝুঁকিও রয়েছে।
পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে BNPB ও স্থানীয় প্রশাসন। বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নভেম্বরের দিকে বর্ষার প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস রয়েছে।