বিশ্বকাপের বছরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে দুর্দান্ত একটা আইপিএল মরসুম গিয়েছে যশপ্রীত বুমরার। ১৬ ম্যাচে ১৯টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি। এমনকী ফাইনালেও তিনি শেষের দিকে দুর্দান্ত দুটি ওভার না করলে অনেক আগেই ম্য়াচ জিতে যেতে পারত চেন্নাই সুপার কিংস। এবার, ভারতীয় দলের প্রধান পেস বোলিং অস্ত্র বেছে নিলেন তাঁর পছন্দের সর্বকালের সেরা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একাদশ।

দলে তিনজন অলরাউন্ডার রেখেছেন বুমরা। আছেন দুই পাণ্ডিয়া ভাইই। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল আইপিএল-এ এক দলে সর্বোচ্চ চারজন বিদেশী খেলানোর নিয়ম থাকলেও তাঁর বাচৈাই একাদশে তিনজনের বেশি বিদেশী রাখেননি এই জোরে বোলার।

ওপেনার

দলের ইনিংস-এর গোড়াপত্তনের জন্য বুম বুম বুমরা ভরসা রেখেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুই প্রজন্মের দুই সেরা ওপেনার সচিন তেন্ডুলকর ও রোহিত শর্মাকে। দুজনেরই এমআই জার্সিতে ওপেন করে অনেক রান রয়েছে।

মিডল অর্ডার

মিডল অর্ডারে বুমরাী যাঁদের বেছেছেন, তাঁদের একজনও এখন আর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের নীল জার্সি পরেন না। তিন নম্বরে নামবেন এখন সিএসকে দলে খেলা আম্বাতি রায়ডু। আর চার নম্বরে উইকেট-রক্ষক ব্য়াটসম্য়ান হিসেবে আছেন বর্তমানে কেকেআর অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক।

তিন অলরাউন্ডার

পাঁচ, ছয়, সাতে আছেন তিন অলরাউন্ডার। পাঁচে এই মরসুমে মুম্বই দলের সেরা পারফর্মার হার্দিক পাণ্ডিয়া, সাতে আসবেন তার দাদা ক্রুনাল। আর দুই পাণ্ডিয়া ভাইয়ের মাঝে নামবেন ক্যারিবিয়ান ওপেনার কিয়েরন পোলার্ড।

বোলিং বিভাগ

বোলিং বিভাগ বুমরা সাজিয়েছেন তিন জোরে বোলার ও এক স্পিনারে। এক স্পিনারের ভূমিকায় আছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তথা ভারতের কিংবদন্তী অফস্পিনার 'টারবুনেটর' হরভজন সিং। আর তারপরেই আসেন আরেক মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কিংবদন্তি, যিনি এইবারের ফাইনালেও নায়ক হয়েছেন, সেই শ্রীলঙ্কান জোরে বোলার লাসিথ মালিঙ্গা। আর তারপরে যশপ্রীত বুমরা ভরসা রেখেছেন নিজের উপরই। আর দলের এগারো নম্বর সদস্য হলেন অস্ট্রেলিয় জোরে বোলার মিচেল জনসন। ২০১৩ ও ২০১৭ সালের ফাইনালে মুম্বইকে জেতাতে জনসন বড় ভমিা নিয়েছিলেন।

একনজরে যশপ্রীত বুমরার বাছা সর্বকালের সেরা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একাদশ:

রোহিত শর্মা, সচিন তেন্ডুলকর, আম্বাতি রায়ডু, দীনেশ কার্তিক (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পাণ্ডিয়া, কিয়েরন পোলার্ড, ক্রুনাল পাণ্ডিয়া, হরভজন সিং, লাসিথ মালিঙ্গা, ষশপ্রীত বুমরা ও মিচেল জনসন।