কাল আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ছিল মরণ-বাঁচন ম্যাচ। মুম্বই প্লে অফ আগেই নিশ্চিত করে ফেলায় বিশ্রাম দিয়েছিলেন তাদের দুই গুরুত্বপূর্ণ বোলার বুমরা ও ট্রেন্ট বোল্টকে। শিশিরের কথা মাথায় রেখে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ডেভিড ওয়ার্নার। সন্দীপ শর্মা, নাদিম, হোল্ডারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে মাত্র ১৪৯ রান তুলতে পারে রোহিতরা। ভালো শুরু করেও দ্রুত আউট হয়ে ফেরেন ডি কক। মুম্বইয়ের সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটসম্যানকে নাদিমের বলে স্টাম্পড করেন ঋদ্ধিমান। শেষ দিকে মারকুটে ব্যাটিং করে দলকে ভদ্রস্থ স্কোরে পৌঁছে দেন পোলার্ড। 

ব্যাট করতে নেমে কালকেই চলতি আইপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ধবল কুলকার্নির বলে একটু সমস্যায় পড়েন ওয়ার্নার ও ঋদ্ধিমান দুজনেই। কিন্তু ওটুকুই, তার পরের ওভারেই প্যাটিনসনের দ্রুতগতির বলকে কভারের ওপর দিয়ে গ্যালারিতে পাঠিয়ে তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে দেন ঋদ্ধিমান। পাওয়ার প্লে-তে মারাত্মক ব্যাটিং করেন ঋদ্ধি। তার মারের হাত থেকে রেহাই পান না পেসার, স্পিনার কেউই। তুলনামূলক ধীরে শুরু করলেও ম্যাচের শেষদিকটা চললো শুধুই ওয়ার্নার ঝড়। দুই ওপেনারের দাপুটে ব্যাটিংয়ে বিনা উইকেট খুইয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সানরাইজার্স। ওয়ার্নার ৮৫ ও সাহা ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন। 

এই ম্যাচে হায়দরাবাদ হারলে কেকেআরের প্লে অফের রাস্তা খুলে যেত। কিন্তু কারোর ওপর নির্ভর না করে নিজেদের আইপিএল ভাগ্য নিজেরাই লিখলেন ওয়ার্নাররা। যে বাংলার ক্রিকেটাররা শেষ কিছু বছরে ব্রাত্য কলকাতার দলে, সেই এক বাংলার ক্রিকেটারই কেকেআরের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন নিজের হাতে শেষ করলেন। এরপর আগামীকাল বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হবেন ঋদ্ধিরা। ঋদ্ধি দলে পুনরায় ফেরত আসার পর থেকে দাপট বেড়েছে হায়দরাবাদের। ফলে হায়দরাবাদকে চিন্তাতেই থাকবেন এবি, বিরাটরা।