টসে জিতলো ওয়ার্নার-
কালকের ম্যাচে টস জেতেন ওয়ার্নার। জিতে একটি অন্য রাস্তায় হাঁটেন তিনি। চলতি আইপিএলে টস জয়ী অধিনায়করা সাধারণত আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। কিন্তু প্রথা ভেঙে কাল টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। 

জলদি ফিরলেন বেয়ারস্টো-
আইপিএলে সম্ভবত সবচেয়ে দুর্বল মিডল অর্ডার সানরাইজার্সের। তাই টপ অর্ডারে বেয়ারস্টো এবং ওয়ার্নারের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল হায়দরাবাদ। কিন্তু কাল ব্যাটিং করতে নেমে দ্রুত ফেরেন বেয়ারস্টো। ১০ বলে খেলে মাত্র ৫ রান করেন তিনি। 

সেট হয়েও হতাশ করলেন ওয়ার্নার-
দুবাইয়ের স্লো পিচে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা মুশকিল ছিল। তাই ধৈর্য ধরে নিজের ইনিংস গড়ছিলেন ওয়ার্নার। কিন্তু দশম ওভারের প্রথম বলে বোলারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে যান তিনি। ৩০ বল খেলে ৩৬ রান করেছিলেন তিনি। 

হতাশ করলেন ঋদ্ধি-
বিজয় শঙ্করের জায়গায় ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলার ঋদ্ধিমান সাহা। কিন্তু প্রথম ম্যাচে হতাশ করলেন তিনি। ৩১ বল খেলে মাত্র ৩০ রান করে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। গোটা ইনিংসে মাত্র একটি চার ও একটি ছয় মেরেছিলেন তিনি। 

একা টানলেন মনীশ-
প্রথমে ওয়ার্নার এবং পরে সাহার সাথে জুটি বেঁধে সানরাইজার্স ইনিংসকে টানলেন মনীশ। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি সময়ে সময়ে কেকেআর বোলারদের আক্রমণও করেন তিনি। ৩৭ বলে অর্ধশতরান সম্পূর্ণ করেন। ১৮ তম ওভারে আন্দ্রে রাসেলের ফুলটস সামলাতে না পেরে আউট হন। 

ফর্মে কেকেআর বোলাররা- 
গত ম্যাচের যাবতীয় সমালোচনার জবাব দিয়ে সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গত দেন বরুণ চক্রবর্তী। বাকি বোলাররা প্রত্যেকেই নিয়ন্ত্রিত লাইন লেংথে বল করে এসআরএইচ ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিন করে তুলেছিলেন। 

ব্যর্থ নারায়ণ ও কার্তিক-
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই নারিনকে ০ রানে হারিয়ে ধাক্কা খায় নাইটরা। ১৩ বলে ২৬ রানের দ্রুত কিন্তু সংক্ষিপ্ত ইনিংস খেলে ফিরে যান নীতিশ রানাও। এরপর ব্যাট করতে নেমে রশিদের গুগলিতে পরাস্ত হয়ে ০ রানে ফেরেন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিকও। এই সময় সামান্য চাপ তৈরি হয়েছিল কেকেআর ব্যাটসম্যানদের ওপর। 

পরিণতবোধ দেখালেন শুভমান-
দ্রুত উইকেট পড়লেও নিজের নার্ভ ধরে রাখেন তরুণ প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান শুভমান গিল।  ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন পিচে আগাগোড়া দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে ৬২ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলেন পাঞ্জাব তনয়। 

ভরসা দিলেন মরগ্যান-
দ্রুত তিন উইকেট পরার পর ব্যাটিং করতে নেমেছিলেন ইয়ন মরগ্যান। প্রথমে ধীরে শুরু করলেও পরের দিকে সানরাইজার্স বোলারদের আক্রমণ করে ৩ টি চার ও ২ টি ছয়ের সাহায্যে ২৯ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তিনি। 

ব্যর্থ এসআরএইচ বোলাররা-
আফগান স্পিন জুটি রশিদ ও নবী বাদ দিয়ে বাকি বোলাররা কোন সমস্যা তৈরি করতে ব্যর্থ হন মরগ্যান-গিল জুটির কাছে। ভুবনেশ্বর, খলিল, নটরাজন প্রত্যেকেরই ইকোনমি রেট ছিল ৯ এর ওপর।