ব্যর্থ ডি কক- 
প্রথম ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ভালো খেললেও ক্রমশ ছন্দ হারাচ্ছেন ডি কক। কাল পাঁচ বল খেলে কোনও রান না করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। তার উইকেট নেন শেলডন কটরেল। 

একা লড়লেন কটরেল-
আগের দিন রাজস্থানের বিরুদ্ধে ৫০ এর ওপর রান দিয়েছিলেন কটরেল। কিন্তু কাল মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে সমস্ত বোলারদের ব্যর্থতার দিনে তিনি একা জ্বলে উঠলেন। ৪ ওভার বল করে ২০ রান দিয়ে নেন ১ ই উইকেট। 

অর্ধশতরান হিটম্যানের-
কাল ব্যাট হাতে দলের ইনিংসকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যান রোহিত শর্মা। চলতি আইপিএলে মিশ্র ফর্মে রয়েছেন তিনি। কাল আবু ধাবির মন্থর উইকেটে খেললেন ৪৫ বলে ৭০ রানের সুন্দর একটি ইনিংস। 

ফর্মে ফিরলেন হার্দিক-
অবশেষে অফফর্ম কাটিয়ে ফর্মের মুখ দেখলেন হার্দিক পান্ডিয়া। টানা কয়েকটি ম্যাচে ব্যর্থতার পর পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে চেনা ছন্দে সদ্য বাবা হওয়া ক্রিকেটার। কাল মাত্র ১১ বলে ৩০ রানের ধুন্ধুমার একটি ক্যামিও খেলেন তিনি। 

বিধ্বংসী পোলার্ড-
কাল মুম্বইয়ের বড় রানের পেছনে মূল কারিগর ইনি। মাত্র ২০ বল খেলে ৪৭ রান করে দলের স্কোরকে ওই জায়গায় নিয়ে যান। ইনিংসের শেষ তিনটি বলে মারেন তিনটি ছক্কা। 

তৃতীয় পেসার সমস্যা-
সামি বা কটরেলের মধ্যে কোনও একজন পেসারের খারাপ দিন গেলে ব্যাক আপ অপশন পাচ্ছে না পাঞ্জাব। কাল সামি ছন্দে ছিলেন না। কিন্তু দলের তৃতীয় পেসার জিমি নিশাম ৪ ওভারে ৫২ রান দিয়ে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেন। 

ব্যর্থ রাহুল ও মায়াঙ্ক-
পাঞ্জাব ব্যাটিংয়ের মূল চালিকাশক্তি দুই ওপেনার কে এল রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। কাল দুজনের কেউই বড় রান করতে ব্যর্থ। ফলে ম্যাচে কোন সুযোগই পায়নি পাঞ্জাব। 

শান্ত ম্যাডম্যাক্স- 
প্রতিযোগিতা শুরুর আগে পাঞ্জাব দলের মিডল অর্ডারে মূল ভরসার নাম ছিল গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। দেশের হয়ে বড় রান করে আইপিএলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনও অবধি একটি ম্যাচেও ভরসা দিতে পারেননি তিনি। 

পুরান কথা-
টুর্নামেন্টের শুরুতে ছন্দে ছিলেন না। কিন্তু আস্তে আস্তে নিজের চেনা ছন্দে ফিরছেন ক্যারিবিয়ান তারকা নিকোলাস পুরান। কাল মাত্র ২৭ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। পাঞ্জাবের মিডল অর্ডারে একমাত্র তিনিই একটু লড়াই করেছিলেন। 

ফর্মে বুমরা-
আইপিএলের একদম শুরুতে ছন্দে ছিলেন না। ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধেও ডিভিলিয়ার্স তাকে নাস্তানাবুদ করেছিলেন। কিন্তু কালকের ম্যাচে ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন।