স্টেইন উমেশের ব্যর্থতা-
নিজের সেরা সময় কাটিয়ে এসেছেন ডেল স্টেইন। অপরদিকে উমেশ যাদবের চূড়ান্ত বাজে ফর্ম অব্যাহত। তাদের ৭ ওভারে ৯২ রান তোলে পাঞ্জাব। 

একা কুম্ভ রাহুল-
দলের বাকি তারকা ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ব্যর্থ। আগরওয়াল এবং করুণ নায়ার যে বিশাল কিছু অবদান রেখেছেন ব্যাটিংয়ে এমন নয়। এই অবস্থায় ৬৯ বলে বিধ্বংসী ১৩২ রান করে দলের ব্যাটিংকে  শুরু থেকে শেষ অবধি একাই টানলেন রাহুল। 

ক্যাচ ফেললেন কোহলি-
রাহুল তখন সেঞ্চুরির কাছাকাছি ব্যাটিং করছেন এমন অবস্থায় একবার বাউন্ডারি লাইনে ও পরে ৩০ গজ বৃত্তের কাছাকাছি রাহুলের সহজ ক্যাচ দু বার ফেলে দেন বিরাট কোহলি। যার জেরে বিধ্বংসী ইনিংসকে শতরানে পরিনত করেন রাহুল।


ভারতীয়দের মধ্যে শীর্ষে রাহুল-
এর আগে ভারতীয়দের মধ্যে ঋষভ পন্থ আইপিএলের ইতিহাসে এক ইনিংসে ব্যক্তিগত  সর্বোচ্চ রানের মালিক ছিলেন। পন্থের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটিতে তিনি করেছিলেন ১২৮। এদিন পন্থের সেই রেকর্ড ভেঙে ১৩২ রান হাঁকান রাহুল

ভেঙে গেল সচিনের রেকর্ড-
প্রসঙ্গত এদিন ৬০ ইনিংসে আইপিএলের ২০০০ রানের ক্লাবে ঢুকে পড়লেন। ভারতীয়দের মধ্য়ে ৬৩ ইনিংসে আইপিএলের ২০০০ রান হাঁকিয়েছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। ২০০০ রান হাঁকানোর এলিট তালিকায় সচিনকে টপকে দ্রুততম ভারতীয় হিসেবে রাহুল এক নম্বরে উঠে এলেন।

চার নম্বরে রাহুল-
আইপিএলের ইতিহাসে ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহদের তালিকায় রাহুল চার নম্বরে উঠে এলেন। আইপিএল কেরিয়ারে এটি লোকেশ রাহুলের দ্বিতীয় শতরান।

দুর্ধর্ষ পাঞ্জাব পেসাররা-
সামি এবং কটরেল-কে নিয়ে তৈরি পাঞ্জাব পেস ব্যাটারি দ্বিতীয় ম্যাচেও সুপারহিট। প্রথম ম্যাচে ভেঙেছিলেন দিল্লির টপ অর্ডার। এই ম্যাচে গুঁড়িয়ে দিলেন বেঙ্গালুরুর শক্তিশালী টপ অর্ডার। ৬ এর চেয়েও কম ইকোনমিতে বোলিং করে মোট তিন উইকেট নেন তারা। 

ধাঁধা যখন লেগস্পিন-
প্রাথমিক দুর্দশা কাটিয়ে যখন সামান্য সামলে উঠেছিল ব্যাঙ্গালোর ব্যাটিং লাইন আপ, তখনই সেই শিবিরে আঘাত হানেন পাঞ্জাবের লেগস্পিনাররা। রবি বিশ্নই এবং মুরুগান অশ্বিনের স্পিন ফাঁসে দমবন্ধ হয়ে যায় আরসিবি ব্যাটিং লাইন আপের। দুই লেগস্পিনার ৭ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে ৬ উইকেই তুলেছেন। 

এবি সুন্দর-
এই ম্যাচে অরসিবির তরফ থেকে হালকা লড়াই করেছেন এবি ডিভিলিয়ার্স ও ওয়াশিংটন সুন্দর। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ১৮ বলে ২৮ রান করে মুরুগান অশ্বিনের বলে ফেরেন এবি। সুন্দরের ২৭ বলে ৩০ রানের ইনিংস শেষ হয় বিশ্নইয়ের স্পিনে। 

কোহলি বনাম কুম্বলে- 
শোনা যায় কুম্বলে ভারতের কোচ থাকাকালীন কোহলির সাথে মতের মিল না হওয়াতেই কোচিং ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। কাল মেন্টর হিসাবে পাঞ্জাব শিবিরে ছিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি। তার দুই শিষ্য লেগস্পিনারই ঘুরিয়ে দেয় কোহলির দলকে।