• কাল ছিল আইপিএলের একাদশ ম্যাচ• মুখোমুখি হয়েছিল দিল্লি এবং হায়দরাবাদ• ব্যাটে বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হায়দরাবাদের• চলতি আইপিএলে প্রথম হার দিল্লির 

 হাতে বড় রানের পুঁজি না থাকা সত্ত্বেও দুর্দান্ত ছন্দে থাকা দিল্লির বিরুদ্ধে জয় পেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ে ছন্দে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ঝুলিয়ে দিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। পরে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিল্লির ছন্দে থাকা ব্যাটিং লাইনআপকে রুখে দিয়ে আইপিএল ২০২০-তে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিল হায়দরাবাদ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যদিও টস হেরে ম্যাচটা শুরু হয়েছিল হায়দরাবাদের। চলতি আইপিএলের ট্রেন্ড মেনে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন দিল্লির ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আইয়ার। প্রথমে ব্যাট করে সানরাইজার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১৬২ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভার ৬ উইকেটে ১৪৭ রানে আটকে যায়। ১৫ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জেতে সানরাইজার্স। আইপিএলের শেষ দু'টি ম্যাচের ফলাফল দেখে ২০০ রানের লক্ষ্যামাত্রাও নিরাপদ নয় বলে মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু আবু ধাবির মন্থর উইকেটে বড় রান তোলা মুশকিল, এটা বুঝতে অসুবিধা হয়নি সানরাইজার্স অধিনায়কের। তাই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ঝুঁকি না নিয়ে ধীরে সুস্থে নিজেদের ইনিংস গড়ে তোলেন ওয়ার্নাররা। দুই ওপেনার ওয়ার্নার ৪৫ ও বেয়ারস্টোর ৫৩ রানের ইনিংস খেলে সানরাইজার্সের ভিত গড়ে দেয়। ছন্দে থাকা মনীশ পান্ডে এই ম্যাচে ব্যর্থ হলেও, কেন উইলিয়ামসন ৪১ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংসে হায়দরাবাদকে দেড়শো রানের গণ্ডি পার করায়। গতকালই আইপিএল অভিষেক হওয়া কাশ্মীরের আব্দুল সামাদ একটি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ৭ বলে ১২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন।

দিল্লির ইনিংসকে টানছিলেন শিখর ধাওয়ান। দিল্লির আশা ছিল অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার ও রিষভ পন্থকে নিয়েও। কিন্তু দুর্দান্ত বোলিং করে রশিদ খান ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট দখল করেন। দিল্লির সেরা তিন ব্যাটসম্যান ধাওয়ান, শ্রেয়স ও পন্থের উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের ভাগ্য কার্যত একার হাতে নির্ধারণ করে দেন রশিদ। অসাধারণ বোলিং করে ভুবনেশ্বর ৪ ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন। ইয়র্কার কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে টি নটরাজন ৪ ওভারে ২৫ রান খরচ করে ১টি উইকেট তুলে নেন। গোটা ম্যাচে একবারই মাত্র ইয়র্কার মিস করে ফুলটস ফেলেছিলেন। সেই বলটিকে গ্যালারিতে ফেলেছিলেন সিমরণ হেটমায়ার। কিন্তু বাকি ম্যাচে কোনও ভুল করেননি তিনি।