প্রায় হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া ম্যাচ। মরগ্যানের দুরন্ত ব্যাটিং-এ শেষ মুহূর্তে স্কোরবোর্ডে রান জুড়তে সমর্থ হয়েছিল কলকাতা। কিন্তু, রাজস্থানের ব্যাটিং-এর গভীরতার সামনে কলকাতার স্কোর খুবই যৎসামান্য বলে মনে হচ্ছিল। শেষপর্যন্ত হয়তো একটু ভিন্ন ভাবনা ধারণ করেছিল কলকাতার তরুণ বোলিং বিভাগ। যার জেরে রাজস্থানকে ৩৭ রানে ম্যাচ হারাতে হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। 

বুধবার দুবাই-এর পরে ব্যাট করতে যাওয়া রাজস্থান রয়্যালসের সামনে ১৭৫ রানের লক্ষ্য রাখে কলকাতা। মনে করা হয়েছিল হেলায় হয়তো এই ম্যাচেও জয় পেয়ে যাবে রাজস্থান। কারণ, রাজস্থানের ব্যাটিং গভীরতার সামনে ১৭৪ রানের টার্গেট কিছুই না। যদিও, একটু অন্যরকম ভেবেছিলেন কলকাতার তরুণ পেস ব্রিগেড। যার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন  শিবম মাভি। আর তাঁকে যোগ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছিলেন কমলেশ নাগরাকোটি এবং সিভি বরুণ। তরুণ এই পেস ব্রিগেডের চাপ আর ধরে রাখতে পারেনি স্মিথের দল। যার জেরে একটা সময় মন্থর হয়ে পড়ে রান তোলার গতি। তারমধ্যে একটার পর একটা উইকেট পড়তে থাকে রাজস্থানের। 

রাজস্থানকে সবচেয়ে প্রথম ধাক্কাটা দেন কামিন্স। দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসে তিনি স্মিথকে উইকেটকিপার দীনেশ কার্তিকের তালুবন্দি করেন। রাজস্থান সে সময় ১৫ রান সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়েছিল। এরপর সঞ্জু স্যামসনকে দুরন্ত এক বলে নারিনের হাতে তালুবন্দি করেন মাভি। 

মর্গ্যানের দৌলতে রাজস্থানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফেরে কলকাতা। নাহলে একটা সময় মনে হয়েছিল হয়তো কলকাতা মেরে কেটে ১৫০ রানও টপকাতে পারবে না। শেষমেশ ২০ ওভারে কলকাতার রান দাঁড়াল  ৬ উইকেটে ১৭৪ রান। মরগ্যান অপরাজিত থাকলেন ৩৪ রানে। 

মরগ্যান যখন ক্রিজে আসেন ব্যাট করতে তখন ১৩.১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান করেছিল কলকাতা। কিন্তু, মরগ্যান ক্রিজে আসতে না আসতেই আউট হয়ে যান রাসেল। এখানেই শেষ নয় স্কোরবোর্ডে ১৪৯ রান উঠতেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন কামিন্সও।