প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও, রক্ষণের ভুলে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ম্য়াচ হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। খেলার ফল ৩-২। এদিন আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম গোল করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান জ্যাকস মাঘোমা। দুটি গোলই করেন তিনি। অপরদিকে, জোড়া গোল করে হায়দরাবাদের জয় নিশ্চিৎ করেন স্যান্টানা। অপর একটি গোল করেন নার্জারি। ৩-২ ব্যবধানে ম্য়াচ জিতে খুশি হায়দরাবাদ এফসির কোচ ম্য়ানুয়েল মারকুয়েজ। এই ম্য়াচ জয়ের ফলে লিগ টেবিলে ৫ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট লিগ টেবিলের ৫ নম্বর স্থানে রইল হায়দরাবাদ।

টানটান উত্তেজনায় শুরু হয় এসসি ইস্টবেঙ্গল বনাম হায়দরাবাদ এফসির প্রথমার্ধের খেলা। রক্ষণ সামলেই আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেন দুই দলের প্লেয়াররা। ম্যাচের ২৬ মিনিটে আসে সেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আইএসএলে লাল-হলুদের হয়ে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জ্যাকস মাঘোমা। অপরদিকে গোল খেয়ে দমে যায়নি হায়দরাবাদ এফসিও। গোল পরিশোধ করার জন্য একের পর এক চেষ্টা করতে থাকে আরিডেন, ইয়াসির, নার্জারি, পুজারিরা। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে হায়দরাবাদ একটি পেনাল্টি পেলেও, তা অনবদ্যভাবে বাঁচিয়ে দেন দেবজিৎ মজুমদার। প্রতিযোগিতায় প্রথমবার ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে এসসি ইস্টবেঙ্গল। 

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সম্পূর্ণ পাল্টে যায় ম্যাচের রং। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে হায়দরাবাদের অ্যাটাকিং লাইন। ম্য়াচের ৫৬ মিনিটে ফের সেট পিস থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান আরিডেন স্য়ান্টানা। এক মিনিট যেতে না যেতেই নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করে হায়দরাবাদকে এগিয়ে দেন স্যান্টানা। লাল-হলুদের রক্ষণের ভুলে পরপর দুটি গোল হজম করতে হয় ফাউলারের দলকে। ম্য়াচের ৬৮ মিনিটে হায়দরাবাদের ব্যবধান বাড়িয়ে ৩-১ করেন নার্জারি। এরপর ম্য়াচের ৮১ মিনিটে মাঘোমা এসসি ইস্টবেঙ্গলের ও নিজের দ্বিতীয় গোল করলেও, শেষ রক্ষা হয়নি। ৩-২ গোলে ম্য়াচ হারতে হয় লাল -হলুদ ব্রিগেড। প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকার পরও দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণের ভুলে ম্য়াচ হারায় হতাশ রবি ফাউলার। ২০ তারিখ লাল-হলুদের প্রতিপক্ষ কেরালা ব্লাস্টার্স।