ইতিমধ্যেই মা দুর্গার আগমন বার্তায় সেজে উঠেছে চারিদিক। শুধু তাই নয় প্রকৃতিও জানান দিচ্ছে মায়ের আগমনের। আর এরই মধ্যে নিজেদের নতুন নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে প্যান্ডেলের কাজ শুরু করেছে দুর্গা পুজো কমিটি এবং ক্লাবগুলি। তাদের মধ্যেই আবারও একটি নতুন ও অভিনব ভাবনা দিয়ে নিজেদের পুজো প্যান্ডেল সাজাতে চলেছে বাঁশদ্রোণি একতা। 

আরও পড়ুন, নাম লেখাননি এখনও, দেরি না করে অংশ নিন এশিয়ানেট নিউজ শারদ সম্মান ২০১৯-এ

এবছর এক সামাজিক বার্তার মাধ্যমে নিজেদের মণ্ডপ সাজাবে বাঁশদ্রোণি একতা। এবছর তাদের নতুন থিম হল 'মায়ের পায়ের অঞ্জলি হোক অঙ্গদানের অঙ্গীকার'। অর্থাৎ অঙ্গদানের যে মাহাত্ব তা সুন্দরভাবে প্রস্ফুটিত হতে চলেছে তাদের থিমে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্দিষ্ট অঙ্গ পাওয়া গেলে দেশের অন্তত পাঁচ লক্ষ মানুষকে বাঁচানো সম্ভব। আর মানুষ মারা যাওয়ার পরে বেশ কিছুক্ষন তাদের অঙ্গগুলি জীবন্ত থাকে। তাই সেই অঙ্গগুলিকে দাহ না করে সেগুলিকে অন্য মানুষদের কাজে লাগানো সম্ভব। এই অঙ্গদান বাঁচাতে পারে বহু মানুষকে। তাই এবার অঙ্গদানের অঙ্গীকার নিয়ে মানুষকে সচেতন করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে বাঁশদ্রোণি একতা। পুজো দেখতে আসা সকল দর্শনার্থীদের কাছে তাদের অনুরোধ যে অঞ্জলির দেওয়ার সময় যেন তাঁরা অঙ্গদানের অঙ্গীকার করেন। তাই অঙ্গদানকেই অঞ্জলির প্রধান উপকরণ হিসেবে মেলে ধরার মাধ্যমেই অনুষ্ঠিত হবে তাদের দুর্গোৎসব। 

আরও পড়ুনঃ জাহাঙ্গীরের আমল থেকেই একই রীতি ও পরম্পরা অনুযায়ী দুর্গোৎসবে মাতছে বেহালা রায় পরিবার

গতবছরেও এক অভিনব চিন্তাভাবনার মাধ্যমে নিজেদের পুজো প্যান্ডেল সাজিয়েছিল এই ক্লাব। গতবছর তাদের থিম ছিল বাঁকুড়ার বিখ্যাত ডোকরা শিল্প। বাঁকুড়া থেকে আনা অসাধারন ডোকরার কাজের মাধ্যমে সাজিয়েছিল তাদের প্যান্ডেল। তা যথেষ্ট মন কেড়েছিল দর্শনার্থীদের। তাই এবার এই ক্লাব কর্তৃপক্ষ নিজেদের নিজেদের প্যান্ডেলকে নিতুন রূপে সাজাতে কতটা সফল হবে এবং তা কতটা জনপ্রিয় হবে দর্শনার্থীদের মধ্যে তা জানতে গেলে আর মাত্র কিছুদিনের অপেক্ষা।