চালতা বাগান মানেই হচ্ছে ঐতিহ্যের পূজারী, সৃষ্টির কাণ্ডারী এবং পরিবেশ বান্ধবের দিশারী। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুরেন খারা জানিয়েছেন, কথায়, "শিল্পীরা অসাধারণ শিল্প সৃষ্টি করছেন এবং চালতা বাগানে তাদের শিল্প শৈলী তুলে ধরার প্রয়াস চলছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে এবং এই বর্ষার বৃষ্টির কথা মাথায় রেখেই এই ক্লাবের এবারের থিম- "সোনার তরী"।

দেখে নিন- নাম লেখাননি এখনও, দেরি না করে অংশ নিন এশিয়ানেট নিউজ শারদ সম্মান ২০১৯-এ

এই বছরে ৭৭ বছরে পদার্পণ করবে চালতা বাগানের দুর্গাপুজো। এবারের থিম- 'সোনার তরী' এবং এই সোনার তরীতে সাবেকি মাতৃ প্রতিমার রূপ দর্শনার্থীদের মন কারবেই। চালতা বাগান এর এইবারের পুজোর বাজেট ২৫ লক্ষ টাকা। চমৎকার এই মণ্ডপটির নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশ, কাঠ, প্লাই এবং পিতলের পাত-সহ ব্যবহার করা হয়েছে মূলত সোনার তরীর নির্মাণ কাজে। বলা বাহুল্য, এই অপরূপ মণ্ডপে মন্দিরের আদলেই হবে এখানকার মাতৃ প্রতিমার রূপ দান।

আরও পড়ুন- জাহাঙ্গীরের আমল থেকেই একই রীতি ও পরম্পরা অনুযায়ী দুর্গোৎসবে মাতছে বেহালা রায় পরিবার

চালতা বাগান মানেই আলোর চমক। এইবারের আলোক শয্যায় রয়েছেন এ নন্দী সঙ্গে প্রতিমা শিল্পী বাদল চন্দ্র পাল, মণ্ডপ শয্যায় দীপ্তি ডেকরেটরস এবং সমস্ত পরিকল্পনায় রয়েছেন সুতনু মাইতি। প্রতি বছরের মতো এবারও চালতা বাগান দর্শনার্থীদের কথা মাথায় রেখে এখানে পর্যাপ্ত পরিমানে সিকিউরিটি ব্যবস্থা রাখছেন। সুতরাং এই অসাধারণ মণ্ডপটি দেখতে আসতেই হবে চালতা বাগান লোহাপট্টিতে যেখানে মায়ের আগমন হবে সোনার তরীতে।